আর্কাইভ
লগইন
হোম
ভূমিকম্পের সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে বাংলাদেশের যেসব জেলা
ভূমিকম্পের সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে বাংলাদেশের যেসব জেলা
দ্য নিউজ ডেস্ক
নভেম্বর ২২, ২০২৫
শেয়ার
সর্বশেষ
জনপ্রিয়
এ সম্পর্কিত আরও খবর
ঈদ শেষে শহরমুখী মানুষ, ট্রেনের সিগন্যাল ত্রুটিতে সিডিউল বিপর্যয়
ঈদ শেষে শহরমুখী মানুষ, ট্রেনের সিগন্যাল ত্রুটিতে সিডিউল বিপর্যয়
12 ঘন্টা আগে
ঈদুল ফিতরের টানা ৭ দিনের ছুটির শেষ দিন আজ সোমবার (২৩ মার্চ)। কাল থেকে অফিস শুরু। তাই আজই রাজধানীমুখী মানুষের চাপ বেড়েছে। এর মধ্যেই কমলাপুর রেলস্টেশনে সংকেত (সিগন্যাল) ব্যবস্থার সাময়িক ত্রুটির কারণে ট্রেন চলাচলে সিডিউল বিপর্যয়ের ঘটনা ঘটেছে। এতে সকালে কয়েকটি ট্রেন নির্ধারিত সময়ের তুলনায় দেরিতে ছেড়ে গেছে। কমলাপুর রেলস্টেশন ম্যানেজার সাজেদুল ইসলাম জানান, ভোর ৪টা ৪০ মিনিট থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত স্টেশনের কম্পিউটার বেইজড ইন্টারলকিং (সিবিআই) অপারেটিং সিস্টেম সাময়িকভাবে বিকল ছিল। এর ফলে ভোর রাতে ঢাকায় প্রবেশ করা এবং সকালে ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া প্রায় ১০টি ট্রেন বিলম্বিত হয়। তিনি বলেন, সকাল ৯টার পর থেকে ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া ট্রেনগুলো নির্ধারিত সময়েই ছেড়েছে। এছাড়া দুপুর, বিকেল ও রাতে চলাচলকারী ট্রেনগুলোতেও বিলম্বের আশঙ্কা নেই।
সারাদেশের পেট্রোল পাম্প যেকোনো সময় বন্ধ হতে পারে
সারাদেশের পেট্রোল পাম্প যেকোনো সময় বন্ধ হতে পারে
12 ঘন্টা আগে
নিরাপত্তার স্বার্থে এবং তেল সরবরাহ না পাওয়ার কারণে সারাদেশের পেট্রোল পাম্প (ফিলিং স্টেশন) যে কোনো সময় বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। গতকাল রোববার (২২ মার্চ) রাতে পেট্রোল পাম্প মালিকদের সংগঠন তাদের ফেসবুক পেজে এক বিবৃতিতে এই কথা জানায়। এতে বলা হয়েছে, সারাদেশের পেট্রোল পাম্পগুলোর অবস্থা খুবই করুণ, কারণ তারা অয়েল কোম্পনিগুলো থেকে প্রতিদিন যে তেল পাচ্ছে, তা দিয়ে বর্তমানে ক্রেতাদের চাহিদা পুরণ করা সম্ভব হচ্ছে না। এখন বাস্তবতাটা এমন যে দেশে যে কোটি কোটি মোটরসাইকেল ব্যবহারকারী আছেন, তারা তেল নিতে এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকে ক্লান্ত, বিরক্ত হয়ে পড়ছেন।
ঈদের পরেরদিনে পার্বত্য জেলা বান্দরবানে পর্যটকের ঢল
ঈদের পরেরদিনে পার্বত্য জেলা বান্দরবানে পর্যটকের ঢল
13 ঘন্টা আগে
ঈদুল ফিতরের পরের দিনে পার্বত্য জেলা বান্দরবানে পর্যটকের ঢল নেমেছে। ঈদ উপলক্ষ্যে টানা ছুটিকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত হাজারো পর্যটকে মুখর হয়ে উঠেছে জেলার পর্যটনকেন্দ্রগুলো। গতকাল রোববার (২২ মার্চ) সকাল থেকে জেলার বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে ভিড় দেখা গেছে। স্থানীয়রা জানান, বছরজুড়ে কম-বেশি প্রকৃতিপ্রেমী পর্যটকরা ভিড় জমান বান্দরবানে। বিশেষ ছুটির দিন, শীত মৌসুম ও ঈদের ছুটিতে তা বাড়ে কয়েকগুণ। এবারের ঈদেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ইতোমধ্যে জেলার হোটেল-মোটেল ও রিসোর্টগুলো আগত পর্যটদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে। এতে ভালো ব্যবসার সুবাতাস বইছে পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে। তবে জ্বালানি সংকটের কারণে কিছুটা বিড়ম্বনার শিকার হতে হচ্ছে গাড়ি ও নৌ চালকদের। ঢাকা থেকে আগত লক্ষণ বিশ্বাস ও শিখা বিশ্বাস দম্পতি পরিবার নিয়ে এই প্রথম বান্দরবান বেড়াতে এসে কয়েকটি পর্যটন স্পট ঘুরে দেখেছেন। তবে এই স্পটগুলোর মধ্যে নীলাচলটি সব থেকে ভালো লেগেছে তাদের।