আর্কাইভ
লগইন
হোম
বাংলাদেশের জন্য যে দুই ভেন্যুতে ম্যাচ সরানোর কথা ভাবছে আইসিসি
বাংলাদেশের জন্য যে দুই ভেন্যুতে ম্যাচ সরানোর কথা ভাবছে আইসিসি
দ্য নিউজ ডেস্ক
January 12, 2026
শেয়ার
সর্বশেষ
জনপ্রিয়
এ সম্পর্কিত আরও খবর
থাইল্যান্ডকে উড়িয়ে সুপার সিক্স শুরু বাংলাদেশ নারী দলের
থাইল্যান্ডকে উড়িয়ে সুপার সিক্স শুরু বাংলাদেশ নারী দলের
2026-01-28
এবার নারী টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের সুপার সিক্সের শুরুটা দারুণ হলো বাংলাদেশের। থাইল্যান্ডের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বড় জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। নিগার সুলতানা জ্যোতির দল ম্যাচ জেতে ৩৯ রানে। নেপালের মুলপানি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে টস জিতে প্রথমে বোলিং নেয় থাইল্যান্ড। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৬৫ রান তোলে বাংলাদেশ। জবাবে থাইল্যান্ড ৮ উইকেটে করে ১২৬ রান। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন সোবহানা মোস্তারি। তিনি ৪২ বলে ৫৯ রান করেন। তার ইনিংসে ছিল ৯টি ৪ ও একটি ৬। ওপেনার জুরাইয়া ফেরদৌস করেন ৫৬ রান। ৪৫ বলের ইনিংসে তিনি মারেন ৩টি ৪ ও ৪টি ৬। ব্যাটিংয়ের শুরুতেই কোনো রান না করেই আউট হন দিলারা আক্তার। এরপর ১২ রান করে ফেরেন ফর্মে থাকা শারমিন আক্তার সুপ্তা। তারপর জুরাইয়া ও মোস্তারি গড়েন শতরানের জুটি। শেষমেশ বাংলাদেশ পায় বেশ ভালো একটা পুঁজি। থাইল্যান্ডের হয়ে থিপাচা পুথাওং নেন ৩ উইকেট। অনিচা নেন ২টি উইকেট। ফানিথা মায়া নেন ১ উইকেট।
 রাশিয়ায় কাজের টোপ দিয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে পাঠানো হচ্ছে বাংলাদেশিদের
রাশিয়ায় কাজের টোপ দিয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে পাঠানো হচ্ছে বাংলাদেশিদের
2026-01-28
বাংলাদেশি শ্রমিকদের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হচ্ছে। বেসামরিক চাকরির মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে রাশিয়ায় নিয়ে জোর করে তাদের ইউক্রেন যুদ্ধে নামানো হয়। যুদ্ধে যেতে না চাইলে কারাদণ্ড, মারধর ও হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। সংবাদমাধ্যম অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) অনুসন্ধানে এমন ভয়াবহ তথ্য উঠে এসেছে। এভাবে কতজন বাংলাদেশি প্রতারিত হয়েছেন তা স্পষ্ট নয়। তবে ভুক্তভোগীরা জানান, তারা শতাধিক বাংলাদেশিকে রুশ বাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধ করতে দেখেছেন। এপি জানায়, এভাবে ভারত ও নেপালসহ আফ্রিকা ও দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের নাগরিকদেরও নিয়োগ করা হয়েছে।
ঘূর্ণিঝড় ‘হ্যারি’র প্রভাবে ইতালিতে জরুরি অবস্থা জারি
ঘূর্ণিঝড় ‘হ্যারি’র প্রভাবে ইতালিতে জরুরি অবস্থা জারি
2026-01-28
ইতালির দক্ষিণাঞ্চল ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ‘হ্যারি’র প্রভাবে সৃষ্ট প্রবল বৃষ্টিপাত ও ভূমিধসে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে কালাব্রিয়া, সিসিলি এবং সার্ডিনিয়া অঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পর গত সোমবার (২৭ জানুয়ারি) ইতালি সরকার সেখানে এক বছরের জন্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। সিসিলির নিসেমি শহরে একটি বিশাল ভূমিধসের ঘটনায় এরই মধ্যে অন্তঃত ১,৫০০ বাসিন্দা তাদের ঘরবাড়ি হারিয়ে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন এবং জনজীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ইতালির নাগরিক সুরক্ষা মন্ত্রী নেলো মুসুমেসি জানিয়েছেন, ভূমিধসের গতি শহরের কেন্দ্রস্থলের দিকে অগ্রসর হতে থাকায় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ‘সেফটি বাফার জোন’ ১০০ মিটার থেকে বাড়িয়ে ১৫০ মিটার করা হয়েছে। বর্তমানে এই ভূমিধস রেখা প্রায় ৪ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। নাগরিক সুরক্ষা বিভাগের প্রধান ফ্যাবিও সিসিলিয়ানো সতর্ক করে বলেছেন, ভূমিধস এখনও থামেনি, যার ফলে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।