আর্কাইভ
লগইন
হোম
৬ মিয়ানমার নাগরিক আটক বান্দরবানে
৬ মিয়ানমার নাগরিক আটক বান্দরবানে
দ্য নিউজ ডেস্ক
নভেম্বর ১৬, ২০২৫
শেয়ার
সর্বশেষ
জনপ্রিয়
এ সম্পর্কিত আরও খবর
ইকরার মৃত্যুতে অভিনেতা আলভী ও অভিনেত্রী তিথির নামে মামলা দায়ের
ইকরার মৃত্যুতে অভিনেতা আলভী ও অভিনেত্রী তিথির নামে মামলা দায়ের
7 ঘন্টা আগে
আফরা ইবনাত খান ইকরার আত্মহত্যার ঘটনায় তার স্বামী অভিনেতা জাহের আলভী ও অভিনেত্রী ইফফাত আরা তিথির নামে আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলা করা হয়েছে। গতকাল রোববার (০১ মার্চ) পল্লবী থানায় এই মামলা করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পল্লবী থানার ওসি এ কে এম আলমগীর জাহান। জানা যায়, মামলায় আলভী ও তার মাসহ পরিবারের কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। ওসি বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর তা গ্রহণ করে নিয়মিত মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতোমধ্যে প্রাথমিক তদন্ত শুরু হয়েছে এবং সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তিনি জানান, আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে মামলা হয়েছে। আসামিরা পলাতক।
দুই মাস ৬ অভয়াশ্রমে ইলিশ মাছ ধরা নিষেধ
দুই মাস ৬ অভয়াশ্রমে ইলিশ মাছ ধরা নিষেধ
1 দিন আগে
আজ থেকে ইলিশের প্রজনন ও সংরক্ষণে দুই মাসের জন্য মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে মৎস্য অধিদপ্তর। বরিশাল, ভোলা ও চাঁদপুর জেলার ৬টি অভয়াশ্রম এলাকায় ইলিশসহ সব ধরনের মাছ আহরণ আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। নিষিদ্ধ সময়ে বরিশালের সদর উপজেলার চরমোনাই জুনাহার এলাকা থেকে চাঁদপুরের ষাটনল পর্যন্ত ৮২ কিলোমিটার নদী অভয়াশ্রমে যৌথ অভিযান চালাবে নৌবাহিনী, নৌপুলিশ, কোস্টগার্ড ও মৎস্য অধিদপ্তর। অভয়াশ্রম এলাকায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ ধরলে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
যুক্তরাষ্ট্রে প্রচণ্ড শীতে মারা গেলেন ‘রোহিঙ্গা শরণার্থী’ অন্ধ শাহ আলম
যুক্তরাষ্ট্রে প্রচণ্ড শীতে মারা গেলেন ‘রোহিঙ্গা শরণার্থী’ অন্ধ শাহ আলম
2 দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের বাফেলো শহরে গত মঙ্গলবার ( ২৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় অন্ধ ও গুরুতর অসুস্থ নুরুল আমিন শাহ আলমের (৫৬) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশের মতে, তিনি মিয়ানমারের রোহিঙ্গা শরণার্থী ছিলেন। পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ না করেই বর্ডার প্যাট্রোল কর্মকর্তারা তাকে একটি সড়কের মোড়ে রেখে যাওয়ার পাঁচ দিন পর তার মৃত্যু ঘটে। গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে শাহ আলমের গ্রেফতারের ঘটনাটি ইনভেস্টিগেটিভ পোস্টে প্রকাশিত হয়েছিল। সেখানে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সঙ্গে পুলিশের আচরণের একটি পরিচিত চিত্র তুলে ধরা হয়, বিশেষ করে বর্ণগত সংখ্যালঘু প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে। পুলিশের সহিংস গ্রেফতার—যেখানে তার লাঠিকে অস্ত্র হিসেবে দেখা হয়েছিল—এবং পরবর্তীতে বর্ডার প্যাট্রোল কর্মকর্তাদের আচরণ, যেখানে তার অন্ধত্ব, ইংরেজি না জানা ও মানসিক অবস্থার বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হয়নি—এসব ঘটনার ধারাবাহিকতাই শেষ পর্যন্ত তাকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়।