আর্কাইভ
লগইন
হোম
আলু খাওয়ার উপকারিতা এবং অপকারিতাসমূহ
আলু খাওয়ার উপকারিতা এবং অপকারিতাসমূহ
দ্য নিউজ ডেস্ক
February 12, 2026
শেয়ার
সর্বশেষ
জনপ্রিয়
এ সম্পর্কিত আরও খবর
ফ্যাটি লিভার সমস্যার সমাধান হবে ওষুধ ছাড়াই
ফ্যাটি লিভার সমস্যার সমাধান হবে ওষুধ ছাড়াই
8 ঘন্টা আগে
বর্তমান সময়ে অল্প বয়সের তরুণ তরুণী থেকে শুরু করে বেশি বয়সের মানুষের মধ্যে ফ্যাটি লিভারের সমস্যা ছড়িয়ে পড়েছে। তবে আপনি চাইলে বাড়িতেই এই সমস্যার সমাধান করতে পারেন। এতে লাগবে না কোনো ওষুধও। লিভার বা যকৃত আমাদের পাচন প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। এই অঙ্গটি আমাদের শরীরে খাদ্য হজমে সাহায্য করে এবং শরীরের বিষাক্ত পদার্থ দূর করে। কিন্তু ফ্যাটি লিভারে এ কাজ অনেকটাই বাঁধাপ্রাপ্ত হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আমাদের জীবনযাত্রা ও খাদ্যাভ্যাসের অনিয়ম এই রোগটি বৃদ্ধি পাওয়ার একটি বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি লিভারের ওজনের ৫-১০ শতাংশ ফ্যাট জমে তা হলে এই অবস্থা লিভার সিরোসিস বা ফ্যাটি লিভারের আকার নিতে শুরু করে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এই সমস্যার প্রাথমিক লক্ষণ দেখা দিতে অনেকটা সময় লেগে যায়। চিকিৎসকরা বলছেন, এই রোগে আক্রান্ত হলে পেটের ওপরের ও মাঝের দিকে যন্ত্রণা, বমিভাব, ক্লান্তিবোধ, খিদে কমে আসা, মনঃসংযোগের অভাব, সারা দিন ঘুম ঘুম ভাব হতে দেখা যায়।
ফ্যাট বা ওজন নিয়ন্ত্রণে ৫টি সেরা খাবার
ফ্যাট বা ওজন নিয়ন্ত্রণে ৫টি সেরা খাবার
3 দিন আগে
ওজন নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে প্রথমেই লক্ষণীয় বিষয় হলো আপনি ক্যালরি কতটা নিচ্ছেন তা খেয়াল করা। বাড়তি ওজন কমাতে হলে শুধু খাদ্যতালিকা থেকে ফ্যাটজাতীয় খাবার বাদ দেওয়াই মূল কথা নয়। স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যতালিকা তৈরির সময় খেয়াল রাখতে হবে তা যথাযথ ও নিয়ন্ত্রিত ডায়েটের মধ্যে রয়েছে কিনা। একইসঙ্গে দৈনিক কোন কোন খাদ্য উপাদান শরীরে প্রবেশ করছে এবং তা আপনার সঠিক ওজন ধরে রাখতে কতটুকু সহায়তা করছে, তা জানা জরুরি। বাড়তি ক্যালরি পোড়াতে গুরুত্বপূর্ণ উপাদানের মধ্যে রয়েছে প্রোটিন, ফাইবার ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। আবার যেসব খাবারে গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (জিআই) কম, সেগুলো রক্তের শর্করা ও ইনসুলিনের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। বিপাক প্রক্রিয়ায় সাহায্যকারী এসব উপাদান শরীর থেকে চর্বি দূর করে।
নিয়মিত প্রতিদিন হাঁটলে হার্ট কতটা ভালো থাকে?
নিয়মিত প্রতিদিন হাঁটলে হার্ট কতটা ভালো থাকে?
5 দিন আগে
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরেই সুস্বাস্থ্য বজায় রাখা এবং নানা রোগ প্রতিরোধের জন্য প্রতিদিন হাঁটার পরামর্শ দিয়ে আসছেন। সাধারণভাবে দিনে প্রায় ৩০ মিনিট হাঁটা শরীরের জন্য উপকারী বলে মনে করা হয়। তবে অনেকের মনে প্রশ্ন থাকে—এই সাধারণ অভ্যাসটি কি সত্যিই হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে? কারণ এখনো বিশ্বজুড়ে মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ হলো হৃদরোগ। অনেকেই মনে করেন হৃদরোগ এড়াতে হলে কঠিন ব্যায়াম বা জীবনযাত্রায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে হবে। কিন্তু ব্যস্ত সময়সূচি ও অনিয়মিত জীবনধারা অনেকের জন্য তা কঠিন করে তোলে।