আর্কাইভ
লগইন
হোম
সাবেক আইজিপি বেনজীরের যুক্তরাষ্ট্র-মালয়েশিয়ার সম্পদ ক্রোকের আদেশ
সাবেক আইজিপি বেনজীরের যুক্তরাষ্ট্র-মালয়েশিয়ার সম্পদ ক্রোকের আদেশ
দ্য নিউজ ডেস্ক
জুলাই ১৫, ২০২৫
শেয়ার
সর্বশেষ
জনপ্রিয়
এ সম্পর্কিত আরও খবর
এবার ফুসফুস ক্যানসার শনাক্তে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার
এবার ফুসফুস ক্যানসার শনাক্তে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার
2 ঘন্টা আগে
ফুসফুস ক্যানসার শনাক্তে যুক্তরাজ্যে তৈরি একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে থেরাপিউটিক গুডস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন। অস্ট্রেলিয়ার এই নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদনকে চিকিৎসা প্রযুক্তিতে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই এআই প্ল্যাটফর্মটি তৈরি করেছে যুক্তরাজ্যের কোম্পানি অপটেলাম। ভার্চুয়াল নডিউল ক্লিনিক নামের সফটওয়্যারটি ফুসফুসে থাকা নডিউল বা ছোট গাঁট বিশ্লেষণ করে ক্যানসারের ঝুঁকি নির্ধারণ করতে পারে। একইসঙ্গে রোগীর চিকিৎসা অগ্রাধিকার নির্ধারণ এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি পূর্বাভাস দিতেও এটি সহায়তা করে। এই প্রযুক্তি ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন এবং যুক্তরাজ্যে ক্লিনিক্যাল ব্যবহারের অনুমোদন পেয়েছে। অন্যদিকে, স্বাস্থ্য প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মেডটেক গ্লোবাল প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় ব্যবহারের জন্য নতুন একটি এআই সমাধান চালু করেছে। মেডটেক এআই নামের এই প্ল্যাটফর্মটি তাদের ব্যবহৃত প্র্যাকটিস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হয়ে চিকিৎসা নথি তৈরি এবং রোগীর তথ্য বিশ্লেষণে সহায়তা করে।
মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যে নির্মাণ হচ্ছে বিশাল অভিবাসন ডিপো
মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যে নির্মাণ হচ্ছে বিশাল অভিবাসন ডিপো
2 ঘন্টা আগে
মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যে বিদেশি নাগরিকদের জন্য নির্মাণ হচ্ছে অভিবাসন ডিপো। দেশটির একমাত্র অভিবাসন আটক কেন্দ্রে দীর্ঘদিনের অতিরিক্ত ভিড় কমাতে পেকান নানাসে নতুন একটি ডিটেনশন ডিপো নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রায় ২০ মিলিয়ন রিঙ্গিত ব্যয়ে নির্মিত এই নতুন ভবনটি চলতি বছরের মধ্যেই সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। এতে প্রায় ২,২০০ জন আটক ব্যক্তি রাখার ব্যবস্থা থাকবে। জোহর অভিবাসন বিভাগের পরিচালক দাতুক মোহদ রুসদি মোহদ দারুস জানান, একই প্রাঙ্গণে নির্মাণাধীন নতুন ভবনটি কঠোর আইন প্রয়োগের ফলে গ্রেফতারের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় অত্যন্ত প্রয়োজনীয় হয়ে উঠেছে। তিনি বলেন, বর্তমানে বিদেশি নাগরিকদের জন্য রাজ্যের একমাত্র আটক ডিপো পেকান নানাসের আদর্শ ধারণক্ষমতা প্রায় ১,২৫০ জন। তবে বাস্তবে অনেক সময় সেখানে প্রায়  ২,০০০ জন পর্যন্ত আটক রাখা হয়েছে; যা কেন্দ্রটির ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে।
ময়মনসিংহ-৬ আসনের ব্যালট-রেজাল্ট শিট হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের
ময়মনসিংহ-৬ আসনের ব্যালট-রেজাল্ট শিট হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের
2 ঘন্টা আগে
ময়মনসিংহ-৬ ফুলবাড়িয়া আসনের ব্যালট পেপার ও রেজাল্ট শিট সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এছাড়া বিবাদীদের প্রতি নোটিশ ইস্যু করেছেন আদালত। ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে ঐ আসনের বিএপির প্রার্থী মো. আখতারুল আলমের আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করে আজ সোমবার (১৬ মার্চ) বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট লক্ষ্মণ বিশ্বাস ও অ্যাডভোকলট মো. শামীম দর্জি। ময়মনসিংহ-৬ ফুলবাড়িয়া আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী কামরুল হাসান মিলন। গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী নির্বাচনী অনিয়মের বিরুদ্ধে ‘নির্বাচনী’ আবেদনপত্র শুনানির জন্য হাইকোর্টে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।
আজ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বহালের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ
আজ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বহালের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ
1 দিন আগে
সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বহাল করে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়েছে। আজ রোববার (১৫ মার্চ) সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে ৭৪ পৃষ্ঠার এই রায় প্রকাশ করা হয়। রায়টি লিখেছেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ। গত ২০ নভেম্বর ঐ রায় দিয়েছিলেন সর্বোচ্চ আদালত। যেভাবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার এলো শুরুটা হয়েছিল ৯০-এর দশকে বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে। তখন একটি আসনে উপ-নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি ওঠে। ১৯৯৬ সালে জামায়াতে ইসলামী ও আওয়ামী লীগের দাবির মুখে সংবিধানের ১৩তম সংশোধনী হিসেবে নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ঐ বছরের ২৭ মার্চ সংবিধানে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতির প্রবর্তন ঘটে। এই বিধান অনুসরণ করে ১৯৯৬ সালে সপ্তম, ২০০১ সালে অষ্টম এবং ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। যে নির্বাচনগুলো নিয়ে তেমন কোনো প্রশ্ন ওঠেনি। কিন্তু তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থাকে অগণতান্ত্রিক ও সংবিধানবহির্ভূত উল্লেখ করে আইনজীবী এম. সলিমউল্লাহসহ ৩ আইনজীবী হাইকোর্টে একটি রিট করেন। শুনানির পর ৩ বিচারপতির বৃহত্তর বেঞ্চ ২০০৪ সালের ০৪ আগস্ট রায় দেন।