আর্কাইভ
লগইন
হোম
দুদক
সাবেক প্রতিমন্ত্রী জাকিরের স্ত্রী-সন্তানসহ দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাবেক প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেনের স্ত্রী মোসা. সুরাইয়া সুলতানা ও ছেলে মো. সাফায়েত বিন জাকির ও মেয়ে জাকিয়া তাবাসসুম সঞ্চয়ীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজ দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন এই তথ্য জানান।  এদিন দুদকের সহকারী পরিচালক মো. নাজমুল ইসলাম তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আলাদা ৩টি আবেদন করেন। ঐ আবেদনে সাবেক প্রতিমন্ত্রী জাকিরের স্ত্রী, ছেলে ও মেয়ের বিরুদ্ধে দুদক সম্পদ বিবরণী দাখিলে নোটিশ জারি করা হয়।
2026-01-26
ক্রিকেটার ও মাগুরা-১ এর সাবেক এমপি সাকিব আল হাসানকে দুদকে তলব
ক্রিকেটার ও মাগুরা-১ এর সাবেক এমপি সাকিব আল হাসানকে দুদকে তলব
2025-11-20
বাংলাদেশের শেয়ার বাজার সংক্রান্ত মামলার আসামী ক্রিকেটার ও মাগুরা-১ আসনের সাবেক এমপি সাকিব আল হাসানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে পাঠানো চিঠিতে তাকে আগামী ২৬ নভেম্বর হাজির হওয়ার জন্য বলা হয়েছে। দুদকের মহাপরিচালক বলেন, মো. আবুল খায়ের ওরফে হিরু শেয়ারবাজারে অনিয়ম-দুর্নীতি ও কারসাজির মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের প্রলুব্ধ করে ক্ষতি করান এবং সেখান থেকে অর্জিত অর্থ লেয়ারিং করে বিভিন্ন খাতে স্থানান্তর করেন।এই ঘটনায় সাকিব আল হাসানসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মামলা তদন্তের অংশ হিসেবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোটিশ জারি করা হয়েছে। আগামী ২৬ নভেম্বর সাকিবকে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। দুদকের মহাপরিচালক বলেন, ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানসহ মামলার ১৫ জনকে আগামী ২৫ ও ২৬ নভেম্বর তলব করা হয়েছে।
সার আমদানী: কৃষি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মোঃ খোরশেদ আলমের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ
সার আমদানী: কৃষি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মোঃ খোরশেদ আলমের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ
2025-11-03
এলসি’র মাধ্যমে অর্থ পাচার, সরকারি অর্থ লোপাট কৃষি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মোঃ খোরশেদ আলমের বিরুদ্ধে সার আমদানির নামে সরকারি অর্থ লোপাট, নিম্নমানের ও ভেজাল সার আমদানি, লেটার অফ ক্রেডিট (এলসি)’র মাধ্যমে অর্থপাচার, সরকারি অর্থ লোপাট, দূর্নীতিসহ গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী জি-টু-জি (সরকার থেকে সরকার) চুক্তির মাধ্যমে শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান থেকেই সার আমদানি করার কথা। কিন্তু এই নীতিমালা লঙ্ঘণ করে বিদেশি বেসরকারি ট্রেডিং কোম্পানির সাথে চুক্তি করা হচ্ছে। নির্দিষ্ট কিছু কোম্পানি থেকে বড় ধরনের অনৈতিক সুবিধা নিয়ে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অনেক বেশি মূল্যে সার আমদানির অনুমতি দেওয়া, অন্তর্বতীকালীন সরকারকে বিপাকে ফেলতে এবং ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানকে ব্যর্থ করতে সুকৌশলে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে।