আর্কাইভ
লগইন
হোম
প্রথমবারের মতো মালয়েশিয়ায় ‘বাংলাদেশ ব্র্যান্ডিং ফেস্টিভ্যাল ২০২৫’
প্রথমবারের মতো মালয়েশিয়ায় ‘বাংলাদেশ ব্র্যান্ডিং ফেস্টিভ্যাল ২০২৫’
দ্য নিউজ ডেস্ক
সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৫
শেয়ার
সর্বশেষ
জনপ্রিয়
এ সম্পর্কিত আরও খবর
জয়া আহসান বয়স বাড়াকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন কেন?
জয়া আহসান বয়স বাড়াকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন কেন?
4 দিন আগে
গত ০৬ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গ-এ মুক্তি পেয়েছে জয়া আহসান অভিনীত এবং সৌকর্য ঘোষাল পরিচালিত সিনেমা ‘ওসিডি’। ছবিটির প্রচারণা উপলক্ষ্যে ভারতীয় গণমাধ্যম দ্য ওয়াল-কে দেওয়া এক ভিডিও সাক্ষাৎকারে সিনেমা ও ব্যক্তিজীবন নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন এই অভিনেত্রী। দুই বাংলার চলচ্চিত্র নিয়ে আশাবাদী কি না—এমন প্রশ্নে জয়া বলেন, তিনি উভয় ইন্ডাস্ট্রি নিয়েই আশাবাদী। তার ভাষ্য, এখানে ‘ওসিডি’র মতো ছবি মুক্তি পাচ্ছে এবং দর্শক তা দেখছেন—এটাই ইতিবাচক ইঙ্গিত। এর পূর্বে তিনি ‘ডিয়ার মা’ ও ‘পুতুলনাচের ইতিকথা’র মতো ভিন্নমাত্রিক কাজ করেছেন। প্রতিটি ছবিই আলাদা ঘরানার—কখনো পারিবারিক, কখনো ক্ল্যাসিক ধারার, আবার কখনো শক্তিশালী সামাজিক বার্তাভিত্তিক। একজন শিল্পী হিসেবে এমন বৈচিত্র্যময় চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পাওয়া তার জন্য সৌভাগ্যের বলে মন্তব্য করেন তিনি। ‘ওসিডি’ প্রসঙ্গে জয়া বলেন, ছবিটিতে অভিনয় দেখানোর যথেষ্ট সুযোগ ছিল, তবে নিজের কাজের মূল্যায়ন দর্শকের ওপরই ছেড়ে দিতে চান।
মালয়েশিয়ায় আরবি ক্যালিগ্রাফিতে নিজেকে খুঁজে পেলেন প্রবাসী বাংলাদেশী
মালয়েশিয়ায় আরবি ক্যালিগ্রাফিতে নিজেকে খুঁজে পেলেন প্রবাসী বাংলাদেশী
5 দিন আগে
বহু মানুষ জীবিকার প্রয়োজনে দেশ ছেড়ে প্রবাসে পাড়ি জমান। কেউ শুধু কাজেই সীমাবদ্ধ থাকেন, আবার কেউ কেউ কাজের ফাঁকে খুঁজে নেন নিজের স্বপ্ন, নিজের ভালোবাসা। মালয়েশিয়াপ্রবাসী মো. ইয়াছিন ফরাজী তেমনই একজন, যিনি প্রবাসের ব্যস্ত ও কষ্টের জীবনেও শিল্পচর্চার আলো জ্বালিয়ে রেখেছেন। কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি উপজেলার গোয়ালমারি গ্রামের মো. জসিম উদ্দিন  ফরাজীর ছেলে মো. ইয়াছিন ফরাজী ২০২৩ সালের  ০৩ সেপ্টেম্বর জীবিকার তাগিদে মালয়েশিয়ায় আসেন। প্রবাসে এসে নিয়মিত কাজ শুরু করলেও তার মনে সবসময়ই এক ধরনের শূন্যতা কাজ করতো। গৎবাঁধা কাজের বাইরে নিজের ভালো লাগার কোনো সৃজনশীল কাজ করার ইচ্ছা ছিল বহুদিনের। যদিও শুরুতে সে ইচ্ছার কোনো নির্দিষ্ট রূপ বা পরিকল্পনা ছিল না, তবুও মনে হতো জীবনটা শুধু কাজ আর ঘুমে আটকে থাকলে চলবে না। তার এই সৃজনশীলতার বীজ বপন হয়েছিল অনেক আগেই। মাদ্রাসায় পড়াশোনার সময় থেকেই আরবি লেখার প্রতি তার বিশেষ দুর্বলতা ছিল। খুব আগ্রহ নিয়ে আরবি লেখা অনুশীলন করতেন। তবে তখন এসব লেখা যে একদিন শিল্পে রূপ নিতে পারে, ‘আরবি ক্যালিগ্রাফি’ নামে পরিচিত একটি স্বতন্ত্র শিল্পধারা সে বিষয়ে তার কোনো স্পষ্ট ধারণা ছিল না। তাই বিষয়টি তখন নিছক একটি সাধারণ অভ্যাস হিসেবেই রয়ে যায়।