আর্কাইভ
লগইন
হোম
মন খারাপ হলে, যা খেলে মন ভালো হবে
মন খারাপ হলে, যা খেলে মন ভালো হবে
দ্য নিউজ ডেস্ক
May 11, 2025
শেয়ার
মন খারাপ হলে, যা খেলে মন ভালো হবে
মন্তব্য

কোন মন্তব্য নেই।

সর্বশেষ
জনপ্রিয়
এ সম্পর্কিত আরও খবর
কিডনিতে পাথর হয়েছে কি-না বুঝবেন কিভাবে?
কিডনিতে পাথর হয়েছে কি-না বুঝবেন কিভাবে?
5 ঘন্টা আগে
মানবদেহের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হলো কিডনি। এটি রক্ত থেকে বর্জ্য পদার্থ ও অতিরিক্ত পানি ছেঁকে মূত্র তৈরি করে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং লোহিত রক্তকণিকা উৎপাদনে ভূমিকা রাখে। মূলতঃ কিডনির কাজ হলো রক্ত পরিশোধন, মূত্র উৎপাদন এবং শরীরের পানি ও ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখা। কিডনির সঠিক যত্ন নেওয়া জরুরি। তবে খাদ্যাভ্যাসে অনিয়ম, পর্যাপ্ত পানি না খাওয়া এবং অন্যান্য কারণে কিডনিতে পাথর তৈরি হওয়া এখন সাধারণ সমস্যা। অনেক সময় পাথর ছোট হলে কোনো লক্ষণ দেখা দেয় না, কিন্তু পাথর মূত্রনালিতে সরে গেলে তীব্র ব্যথা শুরু হয়।
ঠোঁট চুম্বন নিয়ে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির অবাক করা গবেষণা
ঠোঁট চুম্বন নিয়ে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির অবাক করা গবেষণা
5 ঘন্টা আগে
‘ঠোঁটে ঠোঁট রেখে ব্যারিকেড’ তৈরি করা এখন অতিসাধারণ বিষয়। তবু প্রথম চুম্বনের অনুভূতি সহজে ভোলা যায় না—উষ্ণ সেই স্মৃতি ফিরে আসে বারবার। অনেকটা পছন্দের প্লে-লিস্ট সময়ে-অসময়ে রিপ্লেড হওয়ার মতো ঘটনা। শুধু ভালোবাসার প্রকাশ নয়, সম্পর্ককে আরও একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার অস্ত্র চুমু। শুধু যে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি করতে বা শারীরিক ঘনিষ্ঠতার জন্যই চুম্বনের প্রয়োজন, তা কিন্তু নয়। এখানেই ব্যারিকেড ভাঙে চুমু। যেখানে প্রকাশ পায় স্নেহ, আবেগ ও অনুভূতি। দেহ থেকে দেহে সঞ্চারিত হয় বিশ্বাসের নিঃশব্দ ধ্বনি—এনার্জি ট্রান্সমিশন। তরঙ্গ। I will kiss thy lips, haply some poison yet doth hang on them (আমি তোমার ঠোঁটে চুমু খাব, হয়তো কিছু বিষ এখনো ঝুলে আছে)। জুলিয়েট তো নিজেকে শেষ করতে চেয়েছিল রোমিওর ঠোঁটে ঠোঁট রেখেই। চুমুর জন্যও সারা বছরে একটি দিন বরাদ্দ রয়েছে। ভালোবাসা দিবস। তবে সঙ্গী পাশে থাকলে আর সেই দিনের প্রয়োজন পড়ে না। সবাই ফ্রেঞ্চ কিস-এ পারদর্শী হয় না। এই চুমু শুধু ঠোঁটে সীমাবদ্ধ থাকে না। ছুঁয়ে যায় একে অন্যের জিহ্বাও। ফ্রেঞ্চ কিসে রয়েছে রোমান্টিকতার ছোঁয়া।
যেভাবে রোজায় হার্টের রোগীরা সুস্থ থাকবেন
যেভাবে রোজায় হার্টের রোগীরা সুস্থ থাকবেন
1 দিন আগে
নিয়মিত রোজা রাখার নানা স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়ন্ত্রিত উপবাস ওজন কমাতে সহায়ক হতে পারে এবং ইনসুলিন প্রতিরোধ কমাতেও ভূমিকা রাখে। তবে হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে বিষয়টি ভিন্ন। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া রোজা রাখা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন- যাদের হৃদরোগ, অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ বা ডায়াবেটিস রয়েছে, তাদের রমজানে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন। দীর্ঘ সময় না খাওয়ার ফলে শরীরে ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য বিঘ্নিত হতে পারে, যা হৃদরোগীদের জন্য জটিলতা তৈরি করতে পারে। চিকিৎসকের মতে, যাদের সম্প্রতি হার্ট অ্যাটাক হয়েছে বা হার্ট সার্জারি হয়েছে, তাদের রোজা না রাখাই ভালো। একইভাবে অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ বা হার্টের ছন্দের সমস্যায় ভোগা রোগীদেরও সতর্ক থাকতে হবে। রমজানে সুস্থ থাকতে হৃদরোগীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরামর্শ—