আর্কাইভ
লগইন
হোম
বাংলাদেশিদের ইরান থেকে তুরস্ক হয়ে দেশে ফেরানো হচ্ছে
বাংলাদেশিদের ইরান থেকে তুরস্ক হয়ে দেশে ফেরানো হচ্ছে
দ্য নিউজ ডেস্ক
June 17, 2025
শেয়ার
সর্বশেষ
জনপ্রিয়
এ সম্পর্কিত আরও খবর
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় বাংলাদেশি নারীকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা, ঘাতক গ্রেফতার
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় বাংলাদেশি নারীকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা, ঘাতক গ্রেফতার
21 ঘন্টা আগে
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের ফোর্ট মায়ার্স শহরে এক মর্মান্তিক হামলায় নীলুফার ইয়াসমিন (৪৮) নামে এক বাংলাদেশি নারী নিহত হয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) স্থানীয় সময় সকালে ডক্টর মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র বুলেভার্ডে অবস্থিত একটি গ্যাস স্টেশনে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ঘাতক রোলবার্ট জোয়াচিনকে (৪০) ঘটনার অল্প সময়ের মধ্যেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, ঘটনার সূত্রপাত হয় গত মঙ্গলবার (৩১ মার্চ)। অভিযুক্ত রোলবার্ট জোয়াচিন গ্যাস স্টেশনের দোকানে থাকা এটিএম বুথ থেকে টাকা তুলতে ব্যর্থ হয়ে ক্যাশিয়ার নীলুফার ইয়াসমিনের কাছে টাকা দাবি করেন। নীলুফার তাকে জানান, এটিএম মেশিনের দায়ভার তার নয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে জোয়াচিন তখন চলে গেলেও গত বৃহস্পতিবার ভোরে ফিরে এসে তান্ডব শুরু করেন।
ফুঁসে উঠছে ইসরাইলি জনগণ, ছাড়ছে তারা জন্মভূমি
ফুঁসে উঠছে ইসরাইলি জনগণ, ছাড়ছে তারা জন্মভূমি
23 ঘন্টা আগে
১৯৪৮ সালে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড দখল করে গড়ে তোলা ইসরাইল জন্মের পর একাধিকবার মুসলিমদের সঙ্গে যুদ্ধ-সংঘাতে জড়িয়েছে। জয়-পরাজয় যা-ই হোক না কেন, ভূমি ছাড়ার দৃশ্য বা নিজেদের মধ্যে অনৈক্য কখনও দেখেনি তেল আবিব। কিন্তু, ২০২৩ সালে হামাসের দীর্ঘদিনের পুঞ্জিভূত ক্ষোভের বিস্ফোরণ ইহুদিদের ভীত কাঁপিয়ে দেয়। ধ্বংস হওয়ার ডর পয়দা হয়েছে তাদের অন্তরে। এরপর টানা দুইবছর ধরে ফিলিস্তিনিদের ওপর চালানো ইসরাইলি নৃশংস গণহত্যাও ‘ব্যাক ফায়ার’ করেছে। সেই থেকে অবৈধ এই ভূখণ্ড ছাড়তে ইহুদিদের মধ্যে প্রতিযোগিতা শুরু হয়। ঢল নামে সীমান্ত এলাকা ও বিমানবন্দরগুলোতে।
মোসাদ সদরদপ্তরে হামলার দাবি ইরানের
মোসাদ সদরদপ্তরে হামলার দাবি ইরানের
2 দিন আগে
ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের সদরদপ্তরকে লক্ষ্য করে একটি ‘নির্ভুল হামলা’ চালানোর দাবি করেছে ইরান। দেশটির বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সির বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ। ইরানি সামরিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, এটি ছিল একটি পরিকল্পিত ও লক্ষ্যভিত্তিক অভিযান, যেখানে গুরুত্বপূর্ণ একটি গোয়েন্দা স্থাপনাকে নিশানা করা হয়।  হামলাটি ইসরাইলের শহর তেল আবিবে হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত এই হামলার কোনো স্বাধীন বা নিরপেক্ষ নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।  পাশাপাশি, এতে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সে বিষয়েও স্পষ্ট কিছু জানা যায়নি।