আর্কাইভ
লগইন
হোম
কমিটি গঠন: এনসিপির জার্মানি শাখার
কমিটি গঠন: এনসিপির জার্মানি শাখার
দ্য নিউজ ডেস্ক
জুলাই ২৮, ২০২৫
শেয়ার
সর্বশেষ
জনপ্রিয়
এ সম্পর্কিত আরও খবর
কক্সবাজারে ফুটবলার মেসুত ওজিল ও এরদোগান পুত্র নেকমেদ্দিন বিলাল
কক্সবাজারে ফুটবলার মেসুত ওজিল ও এরদোগান পুত্র নেকমেদ্দিন বিলাল
2 দিন আগে
কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয়শিবির পরিদর্শনে পৌঁছেছেন জার্মানির সাবেক তারকা ফুটবলার মেসুত ওজিল ও তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানের ছেলে নেকমেদ্দিন বিলাল এরদোগান। আজ বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নেকমেদ্দিন বিলাল এরদোগানের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি একটি ব্যক্তিগত উড়োজাহাজে ঢাকা থেকে কক্সবাজার বিমানবন্দরে অবতরণ করে। তাদের সঙ্গে আছে ১৩ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল। এই সময় বিমানবন্দরে তাদের স্বাগত জানান কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক আ. মান্নান ও পুলিশ সুপার এএনএম সাজেদুর রহমান।
শপথের বিষয়ে সিদ্ধান্তে বৈঠকে ১১ দলীয় ঐক্য জোট এমপিরা
শপথের বিষয়ে সিদ্ধান্তে বৈঠকে ১১ দলীয় ঐক্য জোট এমপিরা
4 দিন আগে
সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেয়নি বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় জোটের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের দুপুর ১২টায় শপথ নেওয়ার কথা রয়েছে। বিএনপি সংবিধান সংস্কার পরিষদে শপথ না নেওয়ায় নিজেদের সিদ্ধান্ত নিতে ১১ দলীয় জোটের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা জামায়াত আমিরের নেতৃত্বে বৈঠকে বসেছেন। বৈঠক শেষে সিদ্ধান্ত জানাবেন তারা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ১১ দলীয় ঐক্যের লিয়াজোঁ কমিটির মিডিয়া সমন্বয়ক ও জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
মালয়েশিয়ায় আরবি ক্যালিগ্রাফিতে নিজেকে খুঁজে পেলেন প্রবাসী বাংলাদেশী
মালয়েশিয়ায় আরবি ক্যালিগ্রাফিতে নিজেকে খুঁজে পেলেন প্রবাসী বাংলাদেশী
5 দিন আগে
বহু মানুষ জীবিকার প্রয়োজনে দেশ ছেড়ে প্রবাসে পাড়ি জমান। কেউ শুধু কাজেই সীমাবদ্ধ থাকেন, আবার কেউ কেউ কাজের ফাঁকে খুঁজে নেন নিজের স্বপ্ন, নিজের ভালোবাসা। মালয়েশিয়াপ্রবাসী মো. ইয়াছিন ফরাজী তেমনই একজন, যিনি প্রবাসের ব্যস্ত ও কষ্টের জীবনেও শিল্পচর্চার আলো জ্বালিয়ে রেখেছেন। কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি উপজেলার গোয়ালমারি গ্রামের মো. জসিম উদ্দিন  ফরাজীর ছেলে মো. ইয়াছিন ফরাজী ২০২৩ সালের  ০৩ সেপ্টেম্বর জীবিকার তাগিদে মালয়েশিয়ায় আসেন। প্রবাসে এসে নিয়মিত কাজ শুরু করলেও তার মনে সবসময়ই এক ধরনের শূন্যতা কাজ করতো। গৎবাঁধা কাজের বাইরে নিজের ভালো লাগার কোনো সৃজনশীল কাজ করার ইচ্ছা ছিল বহুদিনের। যদিও শুরুতে সে ইচ্ছার কোনো নির্দিষ্ট রূপ বা পরিকল্পনা ছিল না, তবুও মনে হতো জীবনটা শুধু কাজ আর ঘুমে আটকে থাকলে চলবে না। তার এই সৃজনশীলতার বীজ বপন হয়েছিল অনেক আগেই। মাদ্রাসায় পড়াশোনার সময় থেকেই আরবি লেখার প্রতি তার বিশেষ দুর্বলতা ছিল। খুব আগ্রহ নিয়ে আরবি লেখা অনুশীলন করতেন। তবে তখন এসব লেখা যে একদিন শিল্পে রূপ নিতে পারে, ‘আরবি ক্যালিগ্রাফি’ নামে পরিচিত একটি স্বতন্ত্র শিল্পধারা সে বিষয়ে তার কোনো স্পষ্ট ধারণা ছিল না। তাই বিষয়টি তখন নিছক একটি সাধারণ অভ্যাস হিসেবেই রয়ে যায়।