আর্কাইভ
লগইন
হোম
আগামিকাল রোববার নিবন্ধনের আবেদন জমা দেবে এনসিপি
আগামিকাল রোববার নিবন্ধনের আবেদন জমা দেবে এনসিপি
দ্য নিউজ ডেস্ক
জুন ২১, ২০২৫
শেয়ার
সর্বশেষ
জনপ্রিয়
এ সম্পর্কিত আরও খবর
জাগপার পার্টি অফিসে তাণ্ডব, স্বৈরাচারের পথে হাঁটার লক্ষণ: সারজিস আলম
জাগপার পার্টি অফিসে তাণ্ডব, স্বৈরাচারের পথে হাঁটার লক্ষণ: সারজিস আলম
2 ঘন্টা আগে
পঞ্চগড়ে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) অফিসে হামলার ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম। গতকাল শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে দেওয়া পোস্টে তিনি লিখেছেন, জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা আজ পঞ্চগড় জেলা জাগপার অফিসে হামলা করেছে, ভিতরে ঢুকে ভাঙচুর আর তাণ্ডব চালিয়েছে। সারজিস লেখেন, রাজনীতিতে কথার বিপরীতে কথা হবে, পলিটিক্যাল বক্তব্য হবে, বিক্ষোভ হবে, মিছিল হবে। কথার মধ্যে ভুল হলে সংশোধন হবে। কিন্তু যারা ক্ষমতায় আসতে না আসতেই দুই মাসের মধ্যে নিজেদেরকে সর্বেসর্বা ভাবা শুরু করেছেন, তারা যেন মনে রাখেন- অতীতে তারাও একই অবস্থার মধ্য দিয়ে গিয়েছেন এবং যারা তাদের সঙ্গে এই জুলুম করেছে তাদের পতন হয়েছে।
আজ জরুরি বৈঠকে বসেছে ১১ দলীয় ঐক্য
আজ জরুরি বৈঠকে বসেছে ১১ দলীয় ঐক্য
2 দিন আগে
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের চলমান আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচি নির্ধারণের লক্ষ্যে বৈঠকে বসেছে দলগুলোর শীর্ষ নেতারা। আজ বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বেলা ১১টায় রাজধানীর মগবাজারের আল-ফালাহ মিলনায়তনে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিষয়টি গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ড. হামিদুর রহমান আযাদ। বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলের প্রধান ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, এলডিপি সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির সভাপতি রাশেদ প্রধানসহ দলগুলোর শীর্ষ নেতারা।
ঢাকায় জামায়াতের বৈশাখী শোভাযাত্রা
ঢাকায় জামায়াতের বৈশাখী শোভাযাত্রা
2 দিন আগে
১৪৩৩ বাংলা নববর্ষকে বরণ করে নিতে আজ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজধানী ঢাকায় বৈশাখী শোভাযাত্রার আয়োজন করেছে। গতকাল মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদের ব্যানারে এই শোভাযাত্রাটি করা হয়। এটি জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে শুরু হয়ে রমনা পার্কে গিয়ে শেষ হয়। নারী, শিশুসহ বিভিন্ন বয়সের ও পেশার মানুষ অংশ নেন এই শোভাযাত্রায়। দেশীয় সংস্কৃতির নানা উপাদান যেমন, মাছ ধরার পলো, ঢেঁকি, খেওয়া জাল ও কুলার উপস্থিতি ছিল এতে। বাঙালিয়ানার সাজ-পোশাকে চোখে পড়ার মতো উপস্থিতি ছিল শিশুদের। দেশাত্মবোধক, জারি, সারি ও ভাটিয়ালি গানে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়।