আর্কাইভ
লগইন
হোম
তারেক রহমানকে নরেন্দ্র মোদির শুভেচ্ছা
তারেক রহমানকে নরেন্দ্র মোদির শুভেচ্ছা
দ্য নিউজ ডেস্ক
ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
শেয়ার
সর্বশেষ
জনপ্রিয়
এ সম্পর্কিত আরও খবর
আজ জরুরি বৈঠকে বসেছে ১১ দলীয় ঐক্য
আজ জরুরি বৈঠকে বসেছে ১১ দলীয় ঐক্য
16 ঘন্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের চলমান আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচি নির্ধারণের লক্ষ্যে বৈঠকে বসেছে দলগুলোর শীর্ষ নেতারা। আজ বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বেলা ১১টায় রাজধানীর মগবাজারের আল-ফালাহ মিলনায়তনে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিষয়টি গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ড. হামিদুর রহমান আযাদ। বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলের প্রধান ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, এলডিপি সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির সভাপতি রাশেদ প্রধানসহ দলগুলোর শীর্ষ নেতারা।
আমরাই ডেকে ডেকে নিজেদের সর্বনাশ ডেকে এনেছিলাম: টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে স্পিকার
আমরাই ডেকে ডেকে নিজেদের সর্বনাশ ডেকে এনেছিলাম: টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে স্পিকার
1 দিন আগে
বাংলাদেশের সিলেট সীমান্তের ১০০ কিলোমিটার উজানে ভারতের বরাক নদীতে টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে জাতীয় সংসদে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম। তিনি বলেছেন, আমরাই ডেকে ডেকে নিজেদের সর্বনাশ ডেকে এনেছিলাম। এই টিপাইমুখ বাঁধ বাংলাদেশেরই সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুস সামাদ আজাদের অনুরোধে ভারত চালু করেছিল। আজ বুধবার (১৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সম্পূরক প্রশ্নের পরিপ্রেক্ষিতে স্পিকার এই মন্তব্য করেন। এদিন অধিবেশনে সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম এ মালিকের এক প্রশ্নের জবাবে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টুর উত্তরের পর স্পিকার ফ্লোর নিয়ে এই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন।
ঢাকায় জামায়াতের বৈশাখী শোভাযাত্রা
ঢাকায় জামায়াতের বৈশাখী শোভাযাত্রা
1 দিন আগে
১৪৩৩ বাংলা নববর্ষকে বরণ করে নিতে আজ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজধানী ঢাকায় বৈশাখী শোভাযাত্রার আয়োজন করেছে। গতকাল মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদের ব্যানারে এই শোভাযাত্রাটি করা হয়। এটি জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে শুরু হয়ে রমনা পার্কে গিয়ে শেষ হয়। নারী, শিশুসহ বিভিন্ন বয়সের ও পেশার মানুষ অংশ নেন এই শোভাযাত্রায়। দেশীয় সংস্কৃতির নানা উপাদান যেমন, মাছ ধরার পলো, ঢেঁকি, খেওয়া জাল ও কুলার উপস্থিতি ছিল এতে। বাঙালিয়ানার সাজ-পোশাকে চোখে পড়ার মতো উপস্থিতি ছিল শিশুদের। দেশাত্মবোধক, জারি, সারি ও ভাটিয়ালি গানে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়।