আর্কাইভ
লগইন
হোম
ডায়েট
ওজন নিয়ন্ত্রণে ডায়েটে প্রোটিনের পরিমাণ কেমন হওয়া উচিত?
ওজন নিয়ন্ত্রণে ডায়েটে প্রোটিনের পরিমাণ ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। ওজন কত কম সময়ে কমাতে চান, তা অনেকটাই নির্ভর করে খাদ্য তালিকায় প্রোটিন কীভাবে যোগ করবেন তার উপর। প্রোটিন হজম হতে বেশি সময় নেয়, ফলে দীর্ঘ সময় পেট ভরা থাকে এবং অতিরিক্ত খাওয়ার পরিমান কমে। প্রোটিন হজমে বেশি শক্তির প্রয়োজন হয় বলে তা ক্যালোরির ব্যয় বাড়ায়। কিন্তু ভুল প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খেলে ওজন কমবে না, উল্টো শরীরে জাঁকিয়ে বসবে নানা রোগব্যাধি।
1 দিন আগে
যেসব খাবার খেলে দূর হবে প্রোটিন ও ফাইবারের ঘাটতি
যেসব খাবার খেলে দূর হবে প্রোটিন ও ফাইবারের ঘাটতি
2025-10-12
একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ক্ষেত্রে প্রতি কেজি দেহের ওজনে ১ গ্রাম প্রোটিন খাওয়া উচিত। সেই মোতাবেক ব্যক্তির ওজন যদি ৮০ কেজি হয়, তাহলে ৮০ গ্রাম প্রোটিন খাওয়া উচিত। আবার একজন প্রাপ্তবয়স্কের দিনে অন্তত ৩০-৩৫ গ্রাম ফাইবার খাওয়া উচিত। আমাদের শরীরে প্রতিদিন কি প্রোটিন ও ফাইবার প্রবেশ করছে? হয়তো না। আমাদের শরীর ঠিক রাখতে প্রতিদিনের ডায়েটে প্রোটিনের পেছনে দৌড়াতে হচ্ছে। কিন্তু প্রোটিনের পেছনে দৌড়াতে গিয়ে অনেকেই ফাইবারকে গুরুত্ব দিতে পারেন না। অথচ পেটের সার্বিক স্বাস্থ্য ভালো রাখার পাশাপাশি রক্তে শর্করা, কোলেস্টেরল এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ফাইবার। তবে প্রোটিনের চাহিদা মিটিয়েও ফাইবারের ঘাটতি সম্পন্ন করা যায়। এমন কিছু খাবার রয়েছে, যা একইসঙ্গে প্রোটিন ও ফাইবারের চাহিদা পূরণ করতে পারে। এই যেমন- মসুর ডাল, ছোলা, কালো মোটর, রাজমা, মোটর ডাল প্রোটিন এবং ফাইবারের উৎস। চিয়া, তিসি, সূর্যমুখীর বীজ এবং বাদাম, আখরোট, কাঠবাদামের মধ্যেও প্রোটিন ও ফাইবার থাকে। এই খাবারগুলো কোনো সালাদের সঙ্গে খাওয়া যেতে পারে। আবার স্ন্যাক হিসেবেও এ খাবারগুলো খাওয়া যায়।