আর্কাইভ
লগইন
হোম
ঈদের দিনে যেসব খাবার খাবেন
ঈদের দিনে যেসব খাবার খাবেন
দ্য নিউজ ডেস্ক
March 28, 2025
শেয়ার
সর্বশেষ
জনপ্রিয়
এ সম্পর্কিত আরও খবর
ডায়াবেটিস রোগীরা কি ইফতারে খেজুর খেতে পারবেন?
ডায়াবেটিস রোগীরা কি ইফতারে খেজুর খেতে পারবেন?
8 ঘন্টা আগে
অনেকেরই প্রিয় অভ্যাস ইফতারের সময় খেজুর দিয়ে রোজা ভাঙা। ধর্মীয় অনুশীলনের পাশাপাশি খেজুর দ্রুত শক্তি জোগায় বলে এটি জনপ্রিয়। তবে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মনে প্রায়ই প্রশ্ন জাগে—খেজুর খেলে কি রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যাবে? খেজুরে গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজসহ প্রাকৃতিক চিনি থাকে, যা শরীরে দ্রুত শক্তি জোগায়। একই সঙ্গে এতে রয়েছে আঁশ, পটাশিয়াম ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। তাই খেজুরের প্রভাব একেবারে নেতিবাচক বা ইতিবাচক—দুটির কোনো একটিতে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি নির্ভর করে খাওয়ার পরিমাণ ও ব্যক্তির শারীরিক অবস্থার ওপর।
ঠোঁট চুম্বন নিয়ে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির অবাক করা গবেষণা
ঠোঁট চুম্বন নিয়ে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির অবাক করা গবেষণা
2026-02-16
‘ঠোঁটে ঠোঁট রেখে ব্যারিকেড’ তৈরি করা এখন অতিসাধারণ বিষয়। তবু প্রথম চুম্বনের অনুভূতি সহজে ভোলা যায় না—উষ্ণ সেই স্মৃতি ফিরে আসে বারবার। অনেকটা পছন্দের প্লে-লিস্ট সময়ে-অসময়ে রিপ্লেড হওয়ার মতো ঘটনা। শুধু ভালোবাসার প্রকাশ নয়, সম্পর্ককে আরও একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার অস্ত্র চুমু। শুধু যে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি করতে বা শারীরিক ঘনিষ্ঠতার জন্যই চুম্বনের প্রয়োজন, তা কিন্তু নয়। এখানেই ব্যারিকেড ভাঙে চুমু। যেখানে প্রকাশ পায় স্নেহ, আবেগ ও অনুভূতি। দেহ থেকে দেহে সঞ্চারিত হয় বিশ্বাসের নিঃশব্দ ধ্বনি—এনার্জি ট্রান্সমিশন। তরঙ্গ। I will kiss thy lips, haply some poison yet doth hang on them (আমি তোমার ঠোঁটে চুমু খাব, হয়তো কিছু বিষ এখনো ঝুলে আছে)। জুলিয়েট তো নিজেকে শেষ করতে চেয়েছিল রোমিওর ঠোঁটে ঠোঁট রেখেই। চুমুর জন্যও সারা বছরে একটি দিন বরাদ্দ রয়েছে। ভালোবাসা দিবস। তবে সঙ্গী পাশে থাকলে আর সেই দিনের প্রয়োজন পড়ে না। সবাই ফ্রেঞ্চ কিস-এ পারদর্শী হয় না। এই চুমু শুধু ঠোঁটে সীমাবদ্ধ থাকে না। ছুঁয়ে যায় একে অন্যের জিহ্বাও। ফ্রেঞ্চ কিসে রয়েছে রোমান্টিকতার ছোঁয়া।
যেভাবে রোজায় হার্টের রোগীরা সুস্থ থাকবেন
যেভাবে রোজায় হার্টের রোগীরা সুস্থ থাকবেন
2026-02-15
নিয়মিত রোজা রাখার নানা স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়ন্ত্রিত উপবাস ওজন কমাতে সহায়ক হতে পারে এবং ইনসুলিন প্রতিরোধ কমাতেও ভূমিকা রাখে। তবে হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে বিষয়টি ভিন্ন। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া রোজা রাখা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন- যাদের হৃদরোগ, অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ বা ডায়াবেটিস রয়েছে, তাদের রমজানে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন। দীর্ঘ সময় না খাওয়ার ফলে শরীরে ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য বিঘ্নিত হতে পারে, যা হৃদরোগীদের জন্য জটিলতা তৈরি করতে পারে। চিকিৎসকের মতে, যাদের সম্প্রতি হার্ট অ্যাটাক হয়েছে বা হার্ট সার্জারি হয়েছে, তাদের রোজা না রাখাই ভালো। একইভাবে অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ বা হার্টের ছন্দের সমস্যায় ভোগা রোগীদেরও সতর্ক থাকতে হবে। রমজানে সুস্থ থাকতে হৃদরোগীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরামর্শ—