আর্কাইভ
লগইন
হোম
চুয়াডাঙ্গায় তাৎক্ষণিক পুলিশী সেবা দিতে প্রতি থানায় QRT গঠন
চুয়াডাঙ্গায় তাৎক্ষণিক পুলিশী সেবা দিতে প্রতি থানায় QRT গঠন
দ্য নিউজ ডেস্ক
এপ্রিল ১৬, ২০২৫
শেয়ার
সর্বশেষ
জনপ্রিয়
এ সম্পর্কিত আরও খবর
টেকনাফের নাফ নদ থেকে ১৩ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি
টেকনাফের নাফ নদ থেকে ১৩ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি
1 দিন আগে
কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার নাফ নদ থেকে ৩টি নৌকাসহ ১৩ জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে মিয়ানমারের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির সদস্যরা। আজ শনিবার (২৮ মার্চ) সকাল ৭টার সময় শাহপরীর দ্বীপ ঘোলারচরসংলগ্ন নাইক্ষ্যংদিয়া এলাকায় মাছ শিকারের সময় তাদের ধরে নিয়ে গেছে। ধরে নিয়ে যাওয়া জেলেরা হলেন- মো. মোস্তাফিজুর রহমান (৪০), মো. ফরিদ হোসেন (৩০), মো. রবিউল হাসান (১৭), মো. কালাম (৩০), মো. হোসেন আম্মদ (৩৮), মো. মীর কাশেম আলী (৪০), মো. গিয়াস উদ্দিন, মো. সালাউদ্দিন (১৮), মো. মহিউদ্দিন (২২), মো. মলা কালু মিয়া (৫৫), মো. আবু তাহের ( ৪০), মো. আবদুল খালেক ও মো. জাবের মিয়া (২৪)। তাদের সবার বাড়ি শাহ পরীর দ্বীপ মাঝরপাড়া ও ডাংঙ্গরপাড়া গ্রামে বলে জানা গেছে।
যশোরের বাঘারপাড়ায় বাড়ি ফেরার পথে সড়কে প্রাণ গেল বাবা-ছেলে-নাতনির
যশোরের বাঘারপাড়ায় বাড়ি ফেরার পথে সড়কে প্রাণ গেল বাবা-ছেলে-নাতনির
5 দিন আগে
চুয়াডাঙ্গায় আত্মীয়ের বাড়ি বেড়াতে গিয়ে ফেরার পথে গাছের সঙ্গে প্রাইভেটকারের ধাক্কায় যশোর জেলার মণিরামপুরের এক পরিবারের ৩ জন নিহত হয়েছেন। তারা সম্পর্কে বাবা, ছেলে ও নাতনি। গুরুতর আহত হয়েছেন প্রাইভেটকারে থাকা ওই পরিবারের আরও ৩ জন। নিহতরা হলেন-যশোর জেলার মণিরামপুর উপজেলার ফাতেহাবাদ গ্রামের আব্দুল মজিদ সরদার (৭০), তার ছেলে মাহমুদ হাসান জাকারিয়া জনি (৪৩) ও মাহমুদ হাসান জাকারিয়া জনির ৪ বছরের মেয়ে সেহেরিশ। আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) রাত ৩টার দিকে যশোর-মাগুরা মহাসড়কের গাইদঘাট নামক স্থানে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের বাড়ি যশোর জেলার মণিরামপুর উপজেলার ফাতেহাবাদ গ্রামে।
কারাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন শিশুসহ ৩৩ বাংলাদেশি
কারাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন শিশুসহ ৩৩ বাংলাদেশি
6 দিন আগে
ভারতে পাচারের শিকার ৩৩ বাংলাদেশি নারী-পুরুষ ও শিশুকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা শেষে দেশে ফেরত আনা হয়েছে। আজ রোববার (২২ মার্চ) সন্ধ্যায় বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে এসব নারী-পুরুষ ও শিশুকে বাংলাদেশে আনা হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, কলকাতার বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন এবং পশ্চিমবঙ্গের নারী-শিশু পাচার রোধ বিষয়ক টাস্কফোর্সের সমন্বিত প্রচেষ্টায় তাদের ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। ফেরত আসারা বিভিন্ন সময় অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে এবং সাজাভোগ শেষে বিভিন্ন সেফ হোমের হেফাজতে ছিলেন তারা। পরবর্তী সময়ে নাগরিকত্ব যাচাইপূর্বক ট্রাভেল পারমিট ইস্যু করে ফিরিয়ে আনা হল।