আর্কাইভ
লগইন
হোম
সজনে পাতা নিয়ন্ত্রণ করে: ডায়াবেটিস, হাই প্রেসার ও আর্থ্রাইটিস
সজনে পাতা নিয়ন্ত্রণ করে: ডায়াবেটিস, হাই প্রেসার ও আর্থ্রাইটিস
দ্য নিউজ ডেস্ক
May 29, 2025
শেয়ার
সর্বশেষ
জনপ্রিয়
এ সম্পর্কিত আরও খবর
শরীরে প্রোটিনের অভাবে যা ঘটে, তবে সমাধান আছে!
শরীরে প্রোটিনের অভাবে যা ঘটে, তবে সমাধান আছে!
2 দিন আগে
মানব শরীরের অন্যতম প্রধান উপাদান হলো প্রোটিন। এটি শুধু শরীরে পেশি তৈরি করে না, বরং হাড়, ত্বক, চুল ও মস্তিষ্ককে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর প্রাপ্তবয়স্ক নারীর দিনে অনন্ত ৪৬ গ্রাম এবং পুরুষের ৫৬ গ্রাম প্রোটিন গ্রহণ করা উচিত। আর যদি শরীর নিয়মিত প্রয়োজনীয় পরিমাণ প্রোটিন না পায়, তাহলে ধীরে ধীরে নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি মেটাতে প্রয়োজন হয়—ডাল, ডিম, দুধ, মাছ ও মুরগির মাংস, সয়া ও পনির, বাদামসহ নানা ধরনের শুকনো ফল। প্রোটিনের অভাবে ঘুমের পরও ক্লান্তিভাব অনুভূত হয়। কারণ আপনি যদি অনেক ঘুমিয়েও থাকেন, তবু আপনার শরীর ক্লান্ত অনুভব করে। তাহলে ধরে নিন প্রোটিনের ঘাটতি রয়েছে। কারণ প্রোটিন শরীরে শক্তি তৈরিতে সহায়তা করে— ঘাটতি হলে দেখা দেয় দুর্বলতা ও মানসিক অবসাদ। আর সেই সঙ্গে প্রোটিনের অভাবে চুল পাতলা হয়ে যায়, ত্বক শুষ্ক হয় এবং নখ দুর্বল হয়ে ভেঙে পড়ে।
চলচ্চিত্র অভিনেত্রী জাহানারা ভূঁইয়া মারা গেছেন
চলচ্চিত্র অভিনেত্রী জাহানারা ভূঁইয়া মারা গেছেন
2 দিন আগে
ঢালিউড চলচ্চিত্রের অভিনেত্রী জাহানারা ভূঁইয়া মারা গেছেন। গতকাল সোমবার (২৫ আগস্ট) সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। মৃত্যুকালে এই অভিনেত্রীর বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর। অভিনেত্রী জাহানারা ভূঁইয়ার ভাতিজা সংগীতশিল্পী নিলয় আহমেদ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। জাহানারা ভূঁইয়া দীর্ঘদিন ধরে নানা ধরনের শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। ডায়াবেটিসের কারণে তার ২টি কিডনিই অচল হয়ে যায়। গত ১৬ মাস ধরে মিনেসোটার লেক রিজ কেয়ার সেন্টারে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। সপ্তাহে ৩ দিন ডায়ালাইসিস চললেও শেষ পর্যন্ত আর সুস্থ হয়ে উঠতে পারেননি এই অভিনেত্রী।
নিজের একাকিত্ব কাটিয়ে একটু ভালো থাকা যায়
নিজের একাকিত্ব কাটিয়ে একটু ভালো থাকা যায়
3 দিন আগে
নারী-পুরুষ সবার জন্যই একাকী জীবন চালিয়ে নেওয়া কঠিন। আর আমাদের সমাজ ব্যবস্থায় একা নারীদের বঞ্চনার চিত্র বেশ হতাশাজনক। বিধবা বা বিয়ে না করা নারীরা পারিবারিক কাঠামোতে ভীষণভাবে অবহেলিত। সমাজে মানুষ হিসেবে যতটুকু মর্যাদা থাকার কথা তাও তাদের নেই বা দেওয়া হয় না। এই অবস্থায় পরিবারের অন্যরা যখন নিজেদের মতো ব্যস্ত হয়ে যায়, সেই বাবা-মা-বা একা থাকা ভাই-বোনটির খবর নেওয়ারও সময় হয় না সপ্তাহ বা মাসেও। তখন এই ভয়াবহ একাকিত্ব কাটাতে ৪০-৫০ বছর বা আরও বেশি বয়সে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চাইলেও আমাদের সমাজ তা সুন্দর-সহজভাবে নেয় না। অথচ বয়সের সঙ্গে সঙ্গে যদি কেউ সঙ্গীর অভাব বোধ করেন, তাকে তো উৎসাহ দেওয়া যেতেই পারে।