আর্কাইভ
লগইন
হোম
যুক্তরাজ্যে প্লেন উড্ডয়নের পরই বিধ্বস্ত
যুক্তরাজ্যে প্লেন উড্ডয়নের পরই বিধ্বস্ত
দ্য নিউজ ডেস্ক
জুলাই ১৪, ২০২৫
শেয়ার
সর্বশেষ
জনপ্রিয়
এ সম্পর্কিত আরও খবর
ইরান আলোচনার টেবিলে না ফিরলেও ‘কিছু যায় আসে না’: ডোনাল্ড ট্রাম্প
ইরান আলোচনার টেবিলে না ফিরলেও ‘কিছু যায় আসে না’: ডোনাল্ড ট্রাম্প
6 ঘন্টা আগে
ইরানের আলোচনার টেবিলে ফেরা বা না ফেরা নিয়ে মোটেও উদ্বিগ্ন নন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় গতকাল রোববার (১২ এপ্রিল) রাতে ওয়াশিংটনে সাংবাদিকদের তিনি এই কথা বলেন। পাকিস্তানের ইসলামাবাদে দীর্ঘ ২১ ঘণ্টা বৈঠকের পরও কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। এমন পরিস্থিতিতে ফ্লোরিডা থেকে ফেরার পর ওয়াশিংটন ডিসির কাছে জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে ট্রাম্প বলেন, ‘ইরান আলোচনার টেবিলে ফিরুক বা না ফিরুক, তাতে আমার কিছু যায় আসে না (আই ডোন্ট কেয়ার)। ওরা যদি আলোচনায় না ফেরে, তাতেও আমার কোনো সমস্যা নেই।’ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ভালোভাবেই কার্যকর রয়েছে বলে দাবি করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরান থেকে উদ্ধার হওয়া দুই মার্কিন পাইলটের শারীরিক অবস্থা নিয়েও কথা বলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘তাদের স্বাস্থ্য খুব ভালো অবস্থায় আছে এবং আমরা তাদের নিয়ে খুব গর্বিত।’
রাজবাড়ীতে চালককে হত্যা করে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ছিনতাই
রাজবাড়ীতে চালককে হত্যা করে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ছিনতাই
1 দিন আগে
রাজবাড়ীতে লিটন খান (৪৫) নামে চালককে হত্যা করে তার কাছে থাকা ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ছিনিয়ে নিয়েছে দুর্বৃত্তরা। রোববার (১২ এপ্রিল) সকালে রাজবাড়ী সদর উপজেলার বরাট ইউনিয়নের উড়াকান্দা মোল্লাপাড়া জামে মসজিদ এলাকায় বেড়িবাঁধ সংলগ্ন পদ্মা নদীর পাড় থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। গতকাল শনিবার (১১ই এপ্রিল) রাতের যে কোনো সময় দুর্বৃত্তরা তাকে হত্যা করে বেড়িবাঁধ থেকে টেনে হিঁচড়ে তাকে পদ্মা নদীর পাড়ে পানির মধ্যে ফেলে রাখে। নিহত রিকশাচালক লিটন খান সদর উপজেলার দাদশী ইউনিয়নের রাধাকান্তপুর গ্রামের আক্কাস খানের ছেলে। তবে তিনি পরিবার নিয়ে একই ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর তালতলা এলাকায় বসবাস করতেন।
হরমুজ প্রণালী নিয়ে ১০ দিনে ১৮০ ডিগ্রি উল্টে গেলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
হরমুজ প্রণালী নিয়ে ১০ দিনে ১৮০ ডিগ্রি উল্টে গেলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
1 দিন আগে
হরমুজ প্রণালী ইসলামাবাদ আলোচনার সবচেয়ে কঠিন বিষয়গুলোর একটি। কিন্তু এই প্রণালী নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের আসল অবস্থান কী, সেটাই এখন পরিষ্কার নয়। ওয়াশিংটন থেকে সাংবাদিক মাইক হান্না এই মন্তব্য করেছেন। মাত্র ১০ দিনের মধ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্প এই প্রণালী নিয়ে পুরোপুরি বিপরীত দুটি কথা বলেছেন। একবার তিনি বলেছেন, হরমুজ প্রণালী যুক্তরাষ্ট্রের কোনো কাজে আসে না। সেখান দিয়ে যে তেল যায় তা ওয়াশিংটনের দরকার নেই। অন্য দেশগুলোই এই প্রণালী পাহারা দিক এবং ইরানের সাথে সমস্যা মেটাক। কিন্তু কিছুদিন পরেই তিনি ১৮০ ডিগ্রি উল্টে গেলেন। তিনি বললেন, হরমুজ প্রণালী খোলা রাখাটাই মার্কিন দাবির কেন্দ্রে আছে। প্রণালী না খুললে কোনো আলোচনাই হবে না।