আর্কাইভ
লগইন
হোম
বান্দরবান: প্রকৃতির এক পর্যটন স্বর্গভূমি
বান্দরবান: প্রকৃতির এক পর্যটন স্বর্গভূমি
দ্য নিউজ ডেস্ক
নভেম্বর ১৮, ২০২৫
শেয়ার
সর্বশেষ
জনপ্রিয়
এ সম্পর্কিত আরও খবর
প্রবাসীদের ঈদ উৎসব : হাসির আড়ালে গভীর শূন্যতা
প্রবাসীদের ঈদ উৎসব : হাসির আড়ালে গভীর শূন্যতা
2 ঘন্টা আগে
দীর্ঘ এক মাস শেষে সিয়াম সাধনার পর যখন ঈদের চাঁদ আকাশে ধরা দেয়, তখন পৃথিবীজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে আনন্দ, ভালোবাসা আর আত্মত্যাগের অনন্য এক বার্তা। সেই আনন্দের ঢেউ এসে লাগে বাংলাদেশি প্রবাসীদের মনেও। তবে রঙিন উৎসবের আড়ালেও জমে থাকে অজস্র না বলা গল্প, বুক ভরা দীর্ঘশ্বাস আর প্রিয়জনদের জন্য এক অদৃশ্য টান। মালয়েশিয়ার ব্যস্ত শহরগুলো বিশেষ করে কুয়ালালামপুর ঈদের সকালে যেন অন্য এক রূপ নেয়। নতুন পোশাকে সেজে প্রবাসীরা ছুটে যান ঈদের নামাজে। নামাজ শেষে কোলাকুলি, শুভেচ্ছা বিনিময় সব মিলিয়ে মুহূর্তগুলোয় গড়ে ওঠে এক টুকরো বাংলাদেশ। ক্ষণিকের জন্য ভুলে যান দূরত্ব, ভুলে যান একাকিত্ব।
 পর্যটনের নতুন স্পট লক্ষ্মীপুরের কমলনগর মেঘনার তীর সংরক্ষণ বাঁধ এলাকা
পর্যটনের নতুন স্পট লক্ষ্মীপুরের কমলনগর মেঘনার তীর সংরক্ষণ বাঁধ এলাকা
3 ঘন্টা আগে
একটা সময় যে মেঘনার উত্তাল ঢেউ আর ভাঙন ছিল এই অঞ্চলের মানুষের কাছে অভিশাপ, আজ সেই মেঘনা তীরই হয়ে উঠেছে বিনোদনের এক বিশাল আশীর্বাদ। ঈদুল ফিতরের ছুটিতে লক্ষ্মীপুর জেলার কমলনগর উপজেলার মতিরহাট থেকে রামগতি উপজেলার বয়ারচর পর্যন্ত মেঘনা উপকূলীয় জনপদের কয়েকটি স্পট এখন পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত। আধুনিক পার্ক বা সিনেমা হলের অভাব থাকলেও প্রকৃতির অকৃত্রিম সান্নিধ্য পেতে মেঘনার তীরের এসব স্থানে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ভিড় করছেন। বিগত কয়েক দশকে মেঘনার ভাঙনে বসতভিটা হারানো মানুষের আর্তনাদ ছিল এই অঞ্চলের নিত্যদিনের খবর। তবে বর্তমান সরকারের নেওয়া ভাঙন রোধ প্রকল্পের আওতায় নির্মিত মেঘনা নদীর অন্ততঃ ৩৭ কিলোমিটার তীর সংরক্ষণ বাঁধের এলাকা এখন কেবল সুরক্ষাই দিচ্ছে না, তৈরি করেছে নয়নাভিরাম পর্যটন স্পট।
ঈদের টানা ছুটিতে পর্যটকে টইটম্বুর কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত
ঈদের টানা ছুটিতে পর্যটকে টইটম্বুর কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত
1 দিন আগে
কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত ঈদুল ফিতর ও সাপ্তাহিক ছুটির টানা ছুটিতে পর্যটক ও দর্শনার্থীর সমাগমে লোকারণ্য হয়ে উঠেছে। গত শনিবার (ঈদের দিন) রাত থেকে পর্যটক আগমন শুরু হলেও, রোববার সকাল থেকে মূল সমুদ্রসৈকত, বেলাভূমি ও পর্যটনস্পটগুলো মানুষে মানুষের ভিড়ে পূর্ণ হয়ে উঠেছে। গতকাল সোমবার (২৩ মার্চ) সৈকতের সুগন্ধা, লাবণী ও কলাতলি পয়েন্টে  যতদূর চোখ যায়, মানুষ আর মানুষ দেখা যাচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই ছুটিতে ৭ লাখের বেশি পর্যটক কক্সবাজারে উপস্থিত থাকবেন এবং কয়েকশ কোটি টাকার বাণিজ্য হবে। গত শনিবার রাত ও রোববার সকালে হালকা বৃষ্টি পর্যটক-দর্শনার্থীদের কিছুটা ভোগান্তিতে ফেললেও সাগরপ্রেমীরা থেমে থাকেননি।
ঈদের পরেরদিনে পার্বত্য জেলা বান্দরবানে পর্যটকের ঢল
ঈদের পরেরদিনে পার্বত্য জেলা বান্দরবানে পর্যটকের ঢল
2 দিন আগে
ঈদুল ফিতরের পরের দিনে পার্বত্য জেলা বান্দরবানে পর্যটকের ঢল নেমেছে। ঈদ উপলক্ষ্যে টানা ছুটিকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত হাজারো পর্যটকে মুখর হয়ে উঠেছে জেলার পর্যটনকেন্দ্রগুলো। গতকাল রোববার (২২ মার্চ) সকাল থেকে জেলার বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে ভিড় দেখা গেছে। স্থানীয়রা জানান, বছরজুড়ে কম-বেশি প্রকৃতিপ্রেমী পর্যটকরা ভিড় জমান বান্দরবানে। বিশেষ ছুটির দিন, শীত মৌসুম ও ঈদের ছুটিতে তা বাড়ে কয়েকগুণ। এবারের ঈদেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ইতোমধ্যে জেলার হোটেল-মোটেল ও রিসোর্টগুলো আগত পর্যটদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে। এতে ভালো ব্যবসার সুবাতাস বইছে পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে। তবে জ্বালানি সংকটের কারণে কিছুটা বিড়ম্বনার শিকার হতে হচ্ছে গাড়ি ও নৌ চালকদের। ঢাকা থেকে আগত লক্ষণ বিশ্বাস ও শিখা বিশ্বাস দম্পতি পরিবার নিয়ে এই প্রথম বান্দরবান বেড়াতে এসে কয়েকটি পর্যটন স্পট ঘুরে দেখেছেন। তবে এই স্পটগুলোর মধ্যে নীলাচলটি সব থেকে ভালো লেগেছে তাদের।