আর্কাইভ
লগইন
হোম
পারমিটের অপব্যবহারে মালয়েশিয়ায় ৩০৬ জন বাংলাদেশি আটক
পারমিটের অপব্যবহারে মালয়েশিয়ায় ৩০৬ জন বাংলাদেশি আটক
দ্য নিউজ ডেস্ক
August 07, 2025
শেয়ার
সর্বশেষ
জনপ্রিয়
এ সম্পর্কিত আরও খবর
সেবায় আধুনিকতার ছোঁয়া আনছে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশন
সেবায় আধুনিকতার ছোঁয়া আনছে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশন
2026-01-14
মালয়েশিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য কন্স্যুলার সেবাকে আরও সহজ, দ্রুত ও আধুনিক করতে নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে কুয়ালালামপুরের বাংলাদেশ হাইকমিশন। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে সব ধরনের কন্স্যুলার সেবার ফি পরিশোধে চালু করা হয়েছে সরাসরি ব্যাংক ট্রান্সফার ও ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা। গতকাল মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দূতালয় প্রধান প্রণব কুমার ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত এক নোটিশে জানানো হয়, কুয়ালালামপুরের ৮, লরং ইয়াপ কাওয়ান সেং, ৫০৪৫০ ঠিকানায় অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনের সার্ভিস কাউন্টারে মেব্যাংক মার্চেন্ট কার্ড সার্ভিস স্থাপন করা হয়েছে। এর ফলে ভিসা, সত্যায়ন, ট্রাভেল পারমিটসহ বিভিন্ন কন্স্যুলার সেবার ফি এখন সেবাপ্রত্যাশীরা সরাসরি হাইকমিশনে এসে ডেবিট কার্ড কিংবা কিউআর কোড স্ক্যানিংয়ের মাধ্যমে পরিশোধ করতে পারবেন।
মালয়েশিয়া ১৮ বাংলাদেশিসহ ২০১ অভিবাসীকে ফেরত পাঠালো
মালয়েশিয়া ১৮ বাংলাদেশিসহ ২০১ অভিবাসীকে ফেরত পাঠালো
2026-01-12
মালয়েশিয়ার জোহরের পেকান নেনাস ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপো থেকে ১৮ জন বাংলাদেশিসহ ২০১ অভিবাসীকে ফেরত পাঠিয়েছে। আজ সোমবার (১২ জানুয়ারি) মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যর ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, নতুন বছরের শুরুতেই বিদেশি বন্দিদের প্রত্যাবাসন কার্যক্রম জোরদার করেছে বিভাগটি। এদের মধ্যে- ১৬০ জন ইন্দোনেশিয়ার, ১৮ জন বাংলাদেশের, ১৩ জন পাকিস্তানের, ৪ জন কম্বোডিয়ার নাগরিক এবং ৩ জন করে ভারত ও সিঙ্গাপুরের নাগরিক রয়েছেন। ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, বন্দিদের কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (কেএলআইএ-১ ও কেএলআইএ-২) এবং স্টুলাং লাউট ফেরি টার্মিনাল ব্যবহার করে নিজ নিজ দেশে পাঠানো হয়েছে। প্রত্যাবাসনের পর সকল বন্দিকে মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন বিভাগের সিস্টেমে ব্ল্যাকলিস্ট করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তারা কোনো উদ্দেশ্যেই মালয়েশিয়ায় পুনঃপ্রবেশ করতে পারবেন না। পেকান নেনাস ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপোর প্রধান কার্যক্রমগুলোর মধ্যে বন্দি প্রত্যাবাসন অন্যতম। জোহর রাজ্য ইমিগ্রেশন বিভাগ নিয়মিত এই কার্যক্রম পরিচালনা করছে, যাতে সাজা শেষ করা বন্দিরা দেশে অবৈধভাবে অবস্থান না করেন এবং ডিটেনশন ডিপোতে অতিরিক্ত বন্দির চাপ সৃষ্টি না হয়।