আর্কাইভ
লগইন
হোম
টাঙ্গুয়ার হাওর ওয়াচ টাওয়ার এলাকায় পর্যটকবাহী হাউজবোটের গমনাগমন স্থগিত
টাঙ্গুয়ার হাওর ওয়াচ টাওয়ার এলাকায় পর্যটকবাহী হাউজবোটের গমনাগমন স্থগিত
দ্য নিউজ ডেস্ক
জুন ২৩, ২০২৫
শেয়ার
সর্বশেষ
জনপ্রিয়
এ সম্পর্কিত আরও খবর
ইউরোপে যাওয়ার স্বপ্ন সাগরে বিলীন, সুনামগঞ্জের ১০ যুবকের মৃত্যু
ইউরোপে যাওয়ার স্বপ্ন সাগরে বিলীন, সুনামগঞ্জের ১০ যুবকের মৃত্যু
3 দিন আগে
অবৈধভাবে সাগরপথে গ্রীস যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরে খাবার ও বিশুদ্ধ পানির অভাবে বাংলাদেশের সুনামগঞ্জের ১০ যুবক নিহত হয়েছেন। তারা পরিবারে আর্থিক সচ্ছলতা আনতে জমিজমা বিক্রি করে ইউরোপ যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন, কিন্তু স্বপ্নের দেশে পৌঁছানোর আগেই তাদের মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটে। নিহতদের মধ্যে জগন্নাথপুর উপজেলার ৫ জন, দিরাইয়ের ৪ জন এবং দোয়ারাবাজারের ১ জন রয়েছেন। প্রশাসন এই বিষয়ে এখনো কোনো তথ্য পায়নি, তবে বিভিন্ন সূত্র থেকে পরিবারগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। ২৭ মার্চ (শুক্রবার) গ্রীসের বৃহত্তম দ্বীপ ক্রিটের কাছে ২৬ জন যাত্রী নিয়ে একটি নৌকা ডুবে যায়, যার মধ্যে অন্ততঃ ১৮ জন বাংলাদেশি ছিল বলে খবর পাওয়া গেছে। নিহতদের স্বজনরা গতকাল শনিবার খবরটি জানতে পারেন।
 পর্যটনের নতুন স্পট লক্ষ্মীপুরের কমলনগর মেঘনার তীর সংরক্ষণ বাঁধ এলাকা
পর্যটনের নতুন স্পট লক্ষ্মীপুরের কমলনগর মেঘনার তীর সংরক্ষণ বাঁধ এলাকা
2026-03-25
একটা সময় যে মেঘনার উত্তাল ঢেউ আর ভাঙন ছিল এই অঞ্চলের মানুষের কাছে অভিশাপ, আজ সেই মেঘনা তীরই হয়ে উঠেছে বিনোদনের এক বিশাল আশীর্বাদ। ঈদুল ফিতরের ছুটিতে লক্ষ্মীপুর জেলার কমলনগর উপজেলার মতিরহাট থেকে রামগতি উপজেলার বয়ারচর পর্যন্ত মেঘনা উপকূলীয় জনপদের কয়েকটি স্পট এখন পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত। আধুনিক পার্ক বা সিনেমা হলের অভাব থাকলেও প্রকৃতির অকৃত্রিম সান্নিধ্য পেতে মেঘনার তীরের এসব স্থানে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ভিড় করছেন। বিগত কয়েক দশকে মেঘনার ভাঙনে বসতভিটা হারানো মানুষের আর্তনাদ ছিল এই অঞ্চলের নিত্যদিনের খবর। তবে বর্তমান সরকারের নেওয়া ভাঙন রোধ প্রকল্পের আওতায় নির্মিত মেঘনা নদীর অন্ততঃ ৩৭ কিলোমিটার তীর সংরক্ষণ বাঁধের এলাকা এখন কেবল সুরক্ষাই দিচ্ছে না, তৈরি করেছে নয়নাভিরাম পর্যটন স্পট।
ঈদের টানা ছুটিতে পর্যটকে টইটম্বুর কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত
ঈদের টানা ছুটিতে পর্যটকে টইটম্বুর কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত
2026-03-24
কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত ঈদুল ফিতর ও সাপ্তাহিক ছুটির টানা ছুটিতে পর্যটক ও দর্শনার্থীর সমাগমে লোকারণ্য হয়ে উঠেছে। গত শনিবার (ঈদের দিন) রাত থেকে পর্যটক আগমন শুরু হলেও, রোববার সকাল থেকে মূল সমুদ্রসৈকত, বেলাভূমি ও পর্যটনস্পটগুলো মানুষে মানুষের ভিড়ে পূর্ণ হয়ে উঠেছে। গতকাল সোমবার (২৩ মার্চ) সৈকতের সুগন্ধা, লাবণী ও কলাতলি পয়েন্টে  যতদূর চোখ যায়, মানুষ আর মানুষ দেখা যাচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই ছুটিতে ৭ লাখের বেশি পর্যটক কক্সবাজারে উপস্থিত থাকবেন এবং কয়েকশ কোটি টাকার বাণিজ্য হবে। গত শনিবার রাত ও রোববার সকালে হালকা বৃষ্টি পর্যটক-দর্শনার্থীদের কিছুটা ভোগান্তিতে ফেললেও সাগরপ্রেমীরা থেমে থাকেননি।