আর্কাইভ
লগইন
হোম
ডায়েট
ফ্যাটি লিভার সমস্যার সমাধান হবে ওষুধ ছাড়াই
বর্তমান সময়ে অল্প বয়সের তরুণ তরুণী থেকে শুরু করে বেশি বয়সের মানুষের মধ্যে ফ্যাটি লিভারের সমস্যা ছড়িয়ে পড়েছে। তবে আপনি চাইলে বাড়িতেই এই সমস্যার সমাধান করতে পারেন। এতে লাগবে না কোনো ওষুধও। লিভার বা যকৃত আমাদের পাচন প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। এই অঙ্গটি আমাদের শরীরে খাদ্য হজমে সাহায্য করে এবং শরীরের বিষাক্ত পদার্থ দূর করে। কিন্তু ফ্যাটি লিভারে এ কাজ অনেকটাই বাঁধাপ্রাপ্ত হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আমাদের জীবনযাত্রা ও খাদ্যাভ্যাসের অনিয়ম এই রোগটি বৃদ্ধি পাওয়ার একটি বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি লিভারের ওজনের ৫-১০ শতাংশ ফ্যাট জমে তা হলে এই অবস্থা লিভার সিরোসিস বা ফ্যাটি লিভারের আকার নিতে শুরু করে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এই সমস্যার প্রাথমিক লক্ষণ দেখা দিতে অনেকটা সময় লেগে যায়। চিকিৎসকরা বলছেন, এই রোগে আক্রান্ত হলে পেটের ওপরের ও মাঝের দিকে যন্ত্রণা, বমিভাব, ক্লান্তিবোধ, খিদে কমে আসা, মনঃসংযোগের অভাব, সারা দিন ঘুম ঘুম ভাব হতে দেখা যায়।
3 ঘন্টা আগে
সুপারফুডের রাজা হিসেবে মিষ্টি কুমড়ার যতোসব পুষ্টিগুণ
সুপারফুডের রাজা হিসেবে মিষ্টি কুমড়ার যতোসব পুষ্টিগুণ
2025-11-02
এবারে হ্যালোইনের উৎসব শেষ হলেও পুষ্টিবিদরা সতর্ক করেছেন, এখনো ভেজিটেবল হিসেবে মিষ্টি কুমড়া আমাদের খাদ্যতালিকায় রাখা উচিত। শুধু সাজসজ্জার জন্য নয়, বরং এটি শরীরের জন্য এক বিশেষ সুপারফুড। মিষ্টি কুমড়ার উজ্জ্বল কমলা রঙের মাংসের মধ্যে লুকিয়ে আছে প্রচুর পুষ্টি। বিশেষ করে ক্যারোটিনয়েডসমৃদ্ধ, যার মধ্যে রয়েছে বিটা-ক্যারোটিন। এটি শরীরে ভিটামিন এ-তে রূপান্তরিত হয়ে চোখের স্বাস্থ্য, ত্বকের যত্ন এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে, ক্যারোটিনয়েড সমৃদ্ধ খাদ্য প্রদাহ কমাতে এবং হৃৎপিণ্ডের রোগ, ক্যান্সারসহ দীর্ঘমেয়াদী অসুখের ঝুঁকি হ্রাস করতে সহায়ক। মিষ্টি কুমড়ায় আছে প্রচুর ভিটামিন সি, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ত্বকের কোলাজেন উৎপাদনে সহায়ক। এছাড়া এতে থাকে পটাসিয়াম, যা হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী এবং শরীরে সোডিয়ামের ভারসাম্য রাখতে সাহায্য করে। শুধু ১০০ গ্রাম রান্না করা মিষ্টি কুমড়ায় প্রায় ২ গ্রাম ফাইবার রয়েছে, যা পাচনতন্ত্রের স্বাস্থ্য, রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং দীর্ঘস্থায়ী তৃপ্তি নিশ্চিত করে। মিষ্টি কুমড়ার প্রাকৃতিক মিষ্টতা এবং ক্রিমি গঠন এটিকে স্যুপ, স্মুদি বা বেকড খাবারে চিনির বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যায়। সব মিষ্টি কুমড়া খাওয়ার উপযোগী নয় হ্যালোইনের জন্য ব্যবহৃত বড় পাম্পকিনগুলো সাধারণত বেশি পানি ও স্বাদহীন হয়। রান্নার জন্য ছোট ও মাংসপূর্ণ প্রজাতি সবচেয়ে উপযুক্ত।
যেসব খাবার খেলে দূর হবে প্রোটিন ও ফাইবারের ঘাটতি
যেসব খাবার খেলে দূর হবে প্রোটিন ও ফাইবারের ঘাটতি
2025-10-12
একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ক্ষেত্রে প্রতি কেজি দেহের ওজনে ১ গ্রাম প্রোটিন খাওয়া উচিত। সেই মোতাবেক ব্যক্তির ওজন যদি ৮০ কেজি হয়, তাহলে ৮০ গ্রাম প্রোটিন খাওয়া উচিত। আবার একজন প্রাপ্তবয়স্কের দিনে অন্তত ৩০-৩৫ গ্রাম ফাইবার খাওয়া উচিত। আমাদের শরীরে প্রতিদিন কি প্রোটিন ও ফাইবার প্রবেশ করছে? হয়তো না। আমাদের শরীর ঠিক রাখতে প্রতিদিনের ডায়েটে প্রোটিনের পেছনে দৌড়াতে হচ্ছে। কিন্তু প্রোটিনের পেছনে দৌড়াতে গিয়ে অনেকেই ফাইবারকে গুরুত্ব দিতে পারেন না। অথচ পেটের সার্বিক স্বাস্থ্য ভালো রাখার পাশাপাশি রক্তে শর্করা, কোলেস্টেরল এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ফাইবার। তবে প্রোটিনের চাহিদা মিটিয়েও ফাইবারের ঘাটতি সম্পন্ন করা যায়। এমন কিছু খাবার রয়েছে, যা একইসঙ্গে প্রোটিন ও ফাইবারের চাহিদা পূরণ করতে পারে। এই যেমন- মসুর ডাল, ছোলা, কালো মোটর, রাজমা, মোটর ডাল প্রোটিন এবং ফাইবারের উৎস। চিয়া, তিসি, সূর্যমুখীর বীজ এবং বাদাম, আখরোট, কাঠবাদামের মধ্যেও প্রোটিন ও ফাইবার থাকে। এই খাবারগুলো কোনো সালাদের সঙ্গে খাওয়া যেতে পারে। আবার স্ন্যাক হিসেবেও এ খাবারগুলো খাওয়া যায়।