আর্কাইভ
লগইন
হোম
কানাডা
বিশ্বকাপের পূর্বেই যুক্তরাষ্ট্রে ১২ গুণ বেড়ে গেলো যাতায়াত খরচ
নিকট দুয়ারে কড়া নাড়ছে ২০২৬ বিশ্বকাপ। আর মাত্র ৫৩ দিন পরই যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় বসতে যাচ্ছে ফুটবলের বিশ্বআসর। তবে এই বিশ্বকাপে খেলা দেখতে গেলে দর্শকদের খরচ করতে হবে বাড়তি অর্থ। ম্যাচ টিকিটের দাম ২০২২ বিশ্বকাপ থেকে ১০ গুণ বেড়ে গেছে, এটা পুরোনো খবর। এবার যুক্তরাষ্ট্রে পরিবহন খরচও বেড়ে গেছে এক লাফে ১২ গুণ। আমেরিকার নিউজার্সিতে বিশ্বকাপের ম্যাচ দেখতে যাওয়া দর্শকদের ট্রেনে যাতায়াতে গুনতে হবে ১৫০ ডলার। অথচ স্বাভাবিক সময়ে একই পথে যাতায়াতের ভাড়া মাত্র ১২.৯০ ডলার। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের এই ঘোষণায় তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।
3 দিন আগে
বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬: নজিরবিহীন লোকসানের আশঙ্কা
বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬: নজিরবিহীন লোকসানের আশঙ্কা
2026-02-28
কারণ, আগের আসরের চেয়ে এবার ১৬টি দল বাড়ায় অংশগ্রহণ ফি কার্যত বাড়ছে না। কিন্তু খরচ বেড়ে যাওয়ায় উলটো লোকসানের আশঙ্কা করছে ইউরোপের কয়েকটি দেশ। ব্রিটেনের দ্য গার্ডিয়ান ও পিএমিডিয়ার এক যৌথ অনুসন্ধানে উঠে এসেছে এসব তথ্য। আর্থিক ক্ষতি এড়াতে ফিফাকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে অন্ত|ত ১০টি দেশ।আসন্ন ২০২৬ বিশ্বকাপে প্রতিটি দলকে অংশগ্রহণ বাবদ ৯ মিলিয়ন ও প্রস্তুতির খরচের জন্য ১.৫ মিলিয়ন ডলার দিচ্ছে ফিফা। অর্থাৎ কোনো ম্যাচ না জিতে গ্রুপপর্ব থেকে বিদায় নিলেও অন্তঃত ১০.৫ মিলিয়ন ডলার পাওয়া যাবে। গত ২০২২ কাতার বিশ্বকাপেও অঙ্কটা একই ছিল।
চীনের ওপর আর আধিপত্য নয়, ভারসাম্য চায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
চীনের ওপর আর আধিপত্য নয়, ভারসাম্য চায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
2026-01-24
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পেন্টাগনের নতুন প্রতিরক্ষা কৌশলে নিরাপত্তা অগ্রাধিকারে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে। প্রতি ৪ বছর অন্তর প্রকাশিত এই গুরুত্বপূর্ণ নথিতে জানানো হয়েছে, চীন এখন আর ওয়াশিংটনের প্রধান নিরাপত্তা ঝুঁকি নয়। এর পরিবর্তে পেন্টাগন এখন ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতি অনুসরণ করে নিজেদের দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা এবং পশ্চিম গোলার্ধের সুরক্ষাকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। গতকাল শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) প্রকাশিত ৩৪ পৃষ্ঠার এই জাতীয় প্রতিরক্ষা কৌশলে বলা হয়েছে, দীর্ঘ সময় ধরে ওয়াশিংটন আমেরিকানদের প্রকৃত স্বার্থকে উপেক্ষা করে এসেছে। নতুন এই কৌশলে মার্কিন মিত্রদের জন্য একটি সতর্কবার্তাও দেওয়া হয়েছে। পেন্টাগন স্পষ্ট করেছে যে এখন থেকে মিত্র দেশগুলোকে দেওয়া ওয়াশিংটনের সামরিক সহায়তার পরিমাণ হবে সীমিত। ইউরোপের মতো মিত্রদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, তাদের জন্য বড় হুমকি কিন্তু আমেরিকার জন্য কম উদ্বেগের এমন বিষয়গুলোতে যেন তারা নিজেরাই নেতৃত্ব দেয়।