আর্কাইভ
লগইন
হোম
পিআর আমি নিজেই বুঝি না: মির্জা ফখরুল
পিআর আমি নিজেই বুঝি না: মির্জা ফখরুল
দ্য নিউজ ডেস্ক
October 15, 2025
শেয়ার
সর্বশেষ
জনপ্রিয়
এ সম্পর্কিত আরও খবর
সংসদের উচ্চকক্ষ-নিম্নকক্ষ আসলে কী?
সংসদের উচ্চকক্ষ-নিম্নকক্ষ আসলে কী?
4 ঘন্টা আগে
জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত নিম্নকক্ষ বা ‘জাতীয় সংসদ’ রাষ্ট্রের চালিকাশক্তি। দেশের বাজেট এবং অর্থ সংক্রান্ত সব বিল পাশের একচ্ছত্র ক্ষমতা নিম্নকক্ষের হাতেই থাকবে। তবে অর্থবিল ছাড়া অন্য যেকোনো বিল পাশের ক্ষেত্রে দুই কক্ষের সমন্বয় প্রয়োজন হবে। সংসদের উচ্চকক্ষ প্রধানত নিম্নকক্ষ থেকে পাশ হওয়া বিলগুলোকে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করবে। এটি একটি ‘দ্বিতীয় চিন্তার’ সুযোগ তৈরি করবে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হয়েছে। আজ শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) আনুষ্ঠানিকভাবে গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়েছে নির্বাচনের ফলাফল। আগামী ৩০ দিনের মধ্যে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে শুরু হওয়ার কথা সংসদ অধিবেশন। এবারের সংসদ অবশ্য কিছুটা আলাদা হবে। বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত এক কক্ষবিশিষ্ট সংসদ দেখা গেলেও এবারই প্রথম দুই কক্ষবিশিষ্ট সংসদ দেখা যাবে- নিম্নকক্ষ এবং উচ্চকক্ষ। নির্বাচনে যারা জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন, তাদের নিয়ে হবে সংসদের নিম্নকক্ষ। নির্বাচিত ৩০০ জনের সঙ্গে সংরক্ষিত আসনের নারী সদস্য যুক্ত হবেন ৫০ জন। উচ্চকক্ষ গঠিত হবে প্রথম সংসদ অধিবেশন হওয়ার ২১০ দিনের মধ্যে। প্রথম ১৮০ দিন নিম্নকক্ষের সদস্যরা সংবিধান সংস্কারের কাজ সম্পন্ন করবেন। পরের ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে সংসদ নির্বাচনে প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যানুপাতে উচ্চকক্ষ গঠন করা হবে, যার মেয়াদ থাকবে নিম্নকক্ষের শেষ কার্যদিবস পর্যন্ত। উচ্চকক্ষ গঠনের পদ্ধতি সংশোধিত সংবিধান ও প্রণীত আইনের ওপর নির্ভর করবে। সদস্যরা সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হতে পারেন, আবার পরোক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থাও থাকতে পারে। বিশেষজ্ঞ, নারী বা সংখ্যালঘু প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে মনোনয়ন ব্যবস্থাও রাখা হতে পারে। উচ্চকক্ষে মোট সদস্য হবেন- ১০০ জন। সংসদ নির্বাচনে বিভিন্ন দল যে পরিমাণ ভোট পাবে, সেই আনুপাতিক হারে (পিআর পদ্ধতি) সদস্য মনোনীত হবে। অর্থাৎ কোনো দল যদি ৪০ শতাংশ ভোট পায়, তাহলে তারা ৪০টি আসন পাবে। আবার কেউ ১ শতাংশ ভোট পেলে তাদের ১ জন প্রতিনিধি থাকবে উচ্চকক্ষে।
বিএনপির মন্ত্রিসভায় টেকনোক্র্যাট কোটায় থাকতে পারেন যারা
বিএনপির মন্ত্রিসভায় টেকনোক্র্যাট কোটায় থাকতে পারেন যারা
5 ঘন্টা আগে
সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলীয় ও সংশ্লিষ্ট একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, নবীন-প্রবীণের সমন্বয়ে নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের পাশাপাশি টেকনোক্র্যাট কোটাতেও বেশ কয়েকজন অভিজ্ঞ ও মেধাবী নেতাকে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে পরামর্শ করে সম্ভাব্য মন্ত্রীদের তালিকা প্রায় চূড়ান্ত করেছেন বলে জানা গেছে। মন্ত্রিসভার আকার ৩২ থেকে ৪২ সদস্যের মধ্যে সীমিত রাখার চিন্তা করা হচ্ছে। সংবিধান অনুযায়ী, মোট মন্ত্রীর সর্বোচ্চ এক-দশমাংশ টেকনোক্র্যাট কোটায় নিয়োগ দেওয়া যেতে পারে। দলীয় সূত্র বলছে, টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে পারেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান এবং সেলিমা রহমান। তারা সংসদ সদস্য না হলেও দলের দীর্ঘদিনের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতা হিসেবে বিবেচিত।
 তারকাদের ভোট দেওয়ার অনুভূতি কেমন ছিল?
তারকাদের ভোট দেওয়ার অনুভূতি কেমন ছিল?
6 ঘন্টা আগে
সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের সাধারণ মানুষ উৎসবমুখর পরিবেশে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। বিনোদন জগতের তারকারা সেই আগ্রহ নিয়ে ভোট দিয়েছেন। নির্বাচন ঘিরে তারকারা যেন সাধারণ নাগরিকদের জন্য এক অনুপ্রেরণা হয়ে দাঁড়িয়েছেন। প্রতিটি ভোটই যেন আগামীর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার একেকটি হাতিয়ার বলে তারা জানিয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই বিনোদন জগতের ছোট ও বড়পর্দার শিল্পীদের ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে দেখা যায়। ভোট দেওয়া শেষে তারা সামাজিক মাধ্যমে ভক্ত-অনুরাগীদের সঙ্গে ভালো লাগা-মন্দ লাগার মুহূর্তগুলো শেয়ার করে নিয়েছেন।
জামায়াত নীতিবান, দায়িত্বশীল ও শান্তিপূর্ণ বিরোধী দল হিসেবে সংসদে ভূমিকা পালন করবে: জামায়াত আমির
জামায়াত নীতিবান, দায়িত্বশীল ও শান্তিপূর্ণ বিরোধী দল হিসেবে সংসদে ভূমিকা পালন করবে: জামায়াত আমির
10 ঘন্টা আগে
সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিয়ে দায়িত্বশীল বিরোধী দল হিসেবে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। গতকাল শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১টা ৪৪ মিনেটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পোস্ট দিয়ে এই ঘোষণা দেন তিনি। জামায়াত আমির লেখেন, ‘গত কয়েক মাসে অসংখ্য স্বেচ্ছাসেবক ও সমর্থক অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন, আপনাদের কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। অনেকেই সময়, শক্তি ও বিশ্বাস উৎসর্গ করেছেন এবং কেউ কেউ গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে গিয়ে ভয়ভীতি ও হয়রানির শিকার হয়েছেন। তাদের এই সাহসিকতা গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করেছে।’