আর্কাইভ
লগইন
হোম
বাংলাদেশিসহ ১৩৫ বন্দি অভিবাসীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠালো মালয়েশিয়া
বাংলাদেশিসহ ১৩৫ বন্দি অভিবাসীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠালো মালয়েশিয়া
দ্য নিউজ ডেস্ক
February 03, 2026
শেয়ার
সর্বশেষ
জনপ্রিয়
এ সম্পর্কিত আরও খবর
ইউনেস্কোতে মাতৃভাষা দিবস: বিশেষ কর্মপরিকল্পনার ঘোষণা ভাষা সংরক্ষণে
ইউনেস্কোতে মাতৃভাষা দিবস: বিশেষ কর্মপরিকল্পনার ঘোষণা ভাষা সংরক্ষণে
1 দিন আগে
ফ্রান্সের প্যারিসে ইউনেস্কোর সদর দপ্তরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মাতৃভাষা সংরক্ষণ ও বহুভাষাবাদ চর্চায় নতুন কর্মপরিকল্পনা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন সংস্থাটির নবনিযুক্ত মহাপরিচালক ড. খালেদ এল এনানি। তিনি বলেন, তরুণ প্রজন্মের শিক্ষাজীবনই মাতৃভাষা চর্চা ও বহুভাষিক দক্ষতা অর্জনের সবচেয়ে উপযুক্ত সময়। গতকাল শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) ইউনেস্কোর সদর দপ্তরে আয়োজিত অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী পর্বে মহাপরিচালক এ কথা বলেন। তিনি জানান, বাংলাদেশের সঙ্গে পরামর্শক্রমে ও সদস্য রাষ্ট্রগুলোর অংশগ্রহণে মাতৃভাষা সংরক্ষণ ও প্রসারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের পরিকল্পনা করছে ইউনেস্কো।
ভারতের আশ্রয় কেন্দ্র থেকে দেশে ফিরলো ২৮ শিশু
ভারতের আশ্রয় কেন্দ্র থেকে দেশে ফিরলো ২৮ শিশু
5 দিন আগে
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্র থেকে বিভিন্ন বয়সের ২৮ শিশু দেশে ফিরেছে। গতকাল মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে শিশুদের তুলে দেন। তাদের মধ্যে ৮ জন মেয়ে ও ২০ জন ছেলে শিশু। তাদের অধিকাংশের বাবা অথবা মা ভারতের জেলখানায় সাজাভোগ করছেন। বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ওসি এসএম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ভালো কাজের আশায় দালালদের মাধ্যমে শিশুদের বাবা অথবা মা ভারতে যান। বাবা-মার সঙ্গে তারাও ভারতের পুলিশের হাতে আটক হয়ে জেলহাজতে যায়। অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে অভিভাবকদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হলে শিশুদের পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন হোমে রাখা হয়। ৩ থেকে ৭ বছর পর বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে তারা দেশে ফিরে আসে। শি
মালয়েশিয়ায় আরবি ক্যালিগ্রাফিতে নিজেকে খুঁজে পেলেন প্রবাসী বাংলাদেশী
মালয়েশিয়ায় আরবি ক্যালিগ্রাফিতে নিজেকে খুঁজে পেলেন প্রবাসী বাংলাদেশী
2026-02-16
বহু মানুষ জীবিকার প্রয়োজনে দেশ ছেড়ে প্রবাসে পাড়ি জমান। কেউ শুধু কাজেই সীমাবদ্ধ থাকেন, আবার কেউ কেউ কাজের ফাঁকে খুঁজে নেন নিজের স্বপ্ন, নিজের ভালোবাসা। মালয়েশিয়াপ্রবাসী মো. ইয়াছিন ফরাজী তেমনই একজন, যিনি প্রবাসের ব্যস্ত ও কষ্টের জীবনেও শিল্পচর্চার আলো জ্বালিয়ে রেখেছেন। কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি উপজেলার গোয়ালমারি গ্রামের মো. জসিম উদ্দিন  ফরাজীর ছেলে মো. ইয়াছিন ফরাজী ২০২৩ সালের  ০৩ সেপ্টেম্বর জীবিকার তাগিদে মালয়েশিয়ায় আসেন। প্রবাসে এসে নিয়মিত কাজ শুরু করলেও তার মনে সবসময়ই এক ধরনের শূন্যতা কাজ করতো। গৎবাঁধা কাজের বাইরে নিজের ভালো লাগার কোনো সৃজনশীল কাজ করার ইচ্ছা ছিল বহুদিনের। যদিও শুরুতে সে ইচ্ছার কোনো নির্দিষ্ট রূপ বা পরিকল্পনা ছিল না, তবুও মনে হতো জীবনটা শুধু কাজ আর ঘুমে আটকে থাকলে চলবে না। তার এই সৃজনশীলতার বীজ বপন হয়েছিল অনেক আগেই। মাদ্রাসায় পড়াশোনার সময় থেকেই আরবি লেখার প্রতি তার বিশেষ দুর্বলতা ছিল। খুব আগ্রহ নিয়ে আরবি লেখা অনুশীলন করতেন। তবে তখন এসব লেখা যে একদিন শিল্পে রূপ নিতে পারে, ‘আরবি ক্যালিগ্রাফি’ নামে পরিচিত একটি স্বতন্ত্র শিল্পধারা সে বিষয়ে তার কোনো স্পষ্ট ধারণা ছিল না। তাই বিষয়টি তখন নিছক একটি সাধারণ অভ্যাস হিসেবেই রয়ে যায়।