আর্কাইভ
লগইন
হোম
টেকনাফে পাচারের উদ্দেশ্যে আটকে রাখা নারী-শিশুসহ ২৫ জন উদ্ধার
টেকনাফে পাচারের উদ্দেশ্যে আটকে রাখা নারী-শিশুসহ ২৫ জন উদ্ধার
দ্য নিউজ ডেস্ক
নভেম্বর ০৪, ২০২৫
শেয়ার
সর্বশেষ
জনপ্রিয়
এ সম্পর্কিত আরও খবর
বরগুনার তালতলীতেজেলের জালে আটকা পড়ে সাড়ে ২২ কেজির কোরাল
বরগুনার তালতলীতেজেলের জালে আটকা পড়ে সাড়ে ২২ কেজির কোরাল
1 দিন আগে
বরগুনা জেলার তালতলীতে সাগরের মোহনায় মান্নান খান নামে এক জেলের জালে ধরা পড়েছে সাড়ে ২২ কেজি ওজনের একটি কোরাল মাছ। বাজারে উন্মুক্ত নিলামে মাছটি বিক্রি হয়েছে ১৯ হাজার ১২৫ টাকায়। গতকাল শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার ফকিরহাট সাগর মোহনায় মাছটি জালে ধরা পড়ে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সকালে মান্নান খান মাছ শিকার করতে সাগরে রওনা দেন। এই সময় ফকিরহাট সাগর মোহনায় তিনি একটি কোরাল মাছ ভাসতে দেখেন। পরে বিশাল আকৃতি দেখে জাল ফেলে মাছটিকে টেনে তোলেন তিনি। এরপর মাছটিকে তালতলী মাছ বাজারে নিয়ে গিয়ে উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে স্থানীয় ব্যবসায়ী মো. বশির মৃধার কাছে ১৯ হাজার ১২৫ টাকায় বিক্রি করেন।
ভারতের আশ্রয় কেন্দ্র থেকে দেশে ফিরলো ২৮ শিশু
ভারতের আশ্রয় কেন্দ্র থেকে দেশে ফিরলো ২৮ শিশু
5 দিন আগে
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্র থেকে বিভিন্ন বয়সের ২৮ শিশু দেশে ফিরেছে। গতকাল মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে শিশুদের তুলে দেন। তাদের মধ্যে ৮ জন মেয়ে ও ২০ জন ছেলে শিশু। তাদের অধিকাংশের বাবা অথবা মা ভারতের জেলখানায় সাজাভোগ করছেন। বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ওসি এসএম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ভালো কাজের আশায় দালালদের মাধ্যমে শিশুদের বাবা অথবা মা ভারতে যান। বাবা-মার সঙ্গে তারাও ভারতের পুলিশের হাতে আটক হয়ে জেলহাজতে যায়। অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে অভিভাবকদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হলে শিশুদের পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন হোমে রাখা হয়। ৩ থেকে ৭ বছর পর বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে তারা দেশে ফিরে আসে। শি
মালয়েশিয়ায় আরবি ক্যালিগ্রাফিতে নিজেকে খুঁজে পেলেন প্রবাসী বাংলাদেশী
মালয়েশিয়ায় আরবি ক্যালিগ্রাফিতে নিজেকে খুঁজে পেলেন প্রবাসী বাংলাদেশী
2026-02-16
বহু মানুষ জীবিকার প্রয়োজনে দেশ ছেড়ে প্রবাসে পাড়ি জমান। কেউ শুধু কাজেই সীমাবদ্ধ থাকেন, আবার কেউ কেউ কাজের ফাঁকে খুঁজে নেন নিজের স্বপ্ন, নিজের ভালোবাসা। মালয়েশিয়াপ্রবাসী মো. ইয়াছিন ফরাজী তেমনই একজন, যিনি প্রবাসের ব্যস্ত ও কষ্টের জীবনেও শিল্পচর্চার আলো জ্বালিয়ে রেখেছেন। কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি উপজেলার গোয়ালমারি গ্রামের মো. জসিম উদ্দিন  ফরাজীর ছেলে মো. ইয়াছিন ফরাজী ২০২৩ সালের  ০৩ সেপ্টেম্বর জীবিকার তাগিদে মালয়েশিয়ায় আসেন। প্রবাসে এসে নিয়মিত কাজ শুরু করলেও তার মনে সবসময়ই এক ধরনের শূন্যতা কাজ করতো। গৎবাঁধা কাজের বাইরে নিজের ভালো লাগার কোনো সৃজনশীল কাজ করার ইচ্ছা ছিল বহুদিনের। যদিও শুরুতে সে ইচ্ছার কোনো নির্দিষ্ট রূপ বা পরিকল্পনা ছিল না, তবুও মনে হতো জীবনটা শুধু কাজ আর ঘুমে আটকে থাকলে চলবে না। তার এই সৃজনশীলতার বীজ বপন হয়েছিল অনেক আগেই। মাদ্রাসায় পড়াশোনার সময় থেকেই আরবি লেখার প্রতি তার বিশেষ দুর্বলতা ছিল। খুব আগ্রহ নিয়ে আরবি লেখা অনুশীলন করতেন। তবে তখন এসব লেখা যে একদিন শিল্পে রূপ নিতে পারে, ‘আরবি ক্যালিগ্রাফি’ নামে পরিচিত একটি স্বতন্ত্র শিল্পধারা সে বিষয়ে তার কোনো স্পষ্ট ধারণা ছিল না। তাই বিষয়টি তখন নিছক একটি সাধারণ অভ্যাস হিসেবেই রয়ে যায়।