আর্কাইভ
লগইন
হোম
ঈদের ছুটিতে ঘুরে আসুন দক্ষিণের স্বর্গভূমি চর হেয়ারে
ঈদের ছুটিতে ঘুরে আসুন দক্ষিণের স্বর্গভূমি চর হেয়ারে
দ্য নিউজ ডেস্ক
March 11, 2026
শেয়ার
সর্বশেষ
জনপ্রিয়
এ সম্পর্কিত আরও খবর
ঈদুল ফিতরে সংবাদপত্রের ৫ দিন ছুটি দাবি সিআরইউর
ঈদুল ফিতরে সংবাদপত্রের ৫ দিন ছুটি দাবি সিআরইউর
4 দিন আগে
আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে সংবাদপত্রে ৫ দিন ছুটি দেওয়ার দাবি জানিয়েছে ঢাকার কোর্ট রিপোর্টার্স ইউনিটি (সিআরইউ)। গতকাল রোববার (০৮ মার্চ) সংগঠনটির দপ্তর সম্পাদক মহিউদ্দিন খান রিফাত স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এই দাবি জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সিআরইউ সভাপতি লিটন মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক মামুন খান বিবৃতিতে বলেন, এবার ঈদে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ৭ দিনের দীর্ঘ ছুটি পাচ্ছেন। কিন্তু ঈদে সংবাদপত্রে মাত্র ৩ দিনের ছুটি দেয়া হয়, যা বৈষম্যমূলক। একই সঙ্গে এই সময়ে কোন হকারও পত্রিকা বিক্রি করবে না। তাই আসন্ন ঈদুল ফিতরে সংবাদপত্র ৫ দিন বন্ধ রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবী জানান নেতৃবৃন্দ। উল্লেখ্য, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২১ মার্চ বাংলাদেশে ঈদুল ফিতর হতে পারে। সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এবার ১৭ মার্চ থেকে ২৩ মার্চ একটানা ৭ দিনের ছুটি পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা।
এবার অ্যান্টার্কটিকা অভিযানে ইউটিউবার সালাহউদ্দিন সুমন ও নিলয়
এবার অ্যান্টার্কটিকা অভিযানে ইউটিউবার সালাহউদ্দিন সুমন ও নিলয়
2026-02-19
পৃথিবীর সবচেয়ে শীতল ও দুর্গম মহাদেশ অ্যান্টার্কটিকায় সফলভাবে পা রেখেছেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ইউটিউবার সালাহউদ্দিন সুমন। তার সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন ভ্রমণপ্রেমী নিলয় কুমার বিশ্বাস। এই অভিযাত্রা বাংলাদেশের ভ্রমণ কনটেন্ট জগতে একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সুমন ও নিলয় তাঁদের যাত্রা শুরু করেন আর্জেন্টিনার উশুয়াইয়া শহর থেকে, যা পৃথিবীর দক্ষিণতম শহর হিসেবে পরিচিত। সেখান থেকে তাঁরা ডাচ প্রতিষ্ঠান ওশানওয়াইড এক্সপেডিশনস (Oceanwide Expeditions) পরিচালিত একটি বিশেষ অভিযানে অংশগ্রহণ করে দক্ষিণ মহাসাগর পাড়ি দিয়ে পৌঁছান অ্যান্টার্কটিকায়। অ্যান্টার্কটিক উপদ্বীপ ও মূল ভূখণ্ডের অপরূপ সৌন্দর্য অ্যান্টার্কটিকায় পৌঁছে তাঁরা ঘুরে দেখেছেন অ্যান্টার্কটিক উপদ্বীপের বিভিন্ন দ্বীপ এবং মহাদেশের মূল ভূখণ্ডের কিছু অংশ। বিশাল হিমবাহ, বরফে ঢাকা পর্বতমালা, অনন্ত সাদা প্রান্তর ও নিস্তব্ধ বরফরাজি তাঁদের মুগ্ধ করেছে।
নাগরিকদের বাংলাদেশ ভ্রমণে সতর্কতা জারি করলো যুক্তরাজ্য
নাগরিকদের বাংলাদেশ ভ্রমণে সতর্কতা জারি করলো যুক্তরাজ্য
2026-01-29
যুক্তরাজ্য তাদের দেশের নাগরিকদের বাংলাদেশ ভ্রমণে সতর্কতা জারি করেছে। বাংলাদেশে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক সহিংসতা ও উগ্রবাদী গোষ্ঠীর সম্ভাব্য আক্রমণের ঝুঁকি বিবেচনায় এমন বার্তা জারি করেছে দেশটি। আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) ব্রিটিশ ফরেন কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিস (এফসিডিও) এই ভ্রমণ সতর্কতা জারি করে। নোটিশে বলা হয়েছে, এফসিডিও পরামর্শের বিরুদ্ধে ভ্রমণ করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ভ্রমণ বীমা বাতিল হয়ে যেতে পারে। দেশটি তার নাগরিকদের জানিয়েছে যে ভ্রমণের ক্ষেত্রে সাবধানতার সঙ্গে পরিকল্পনা এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের পরামর্শ অনুসরণ করা উচিত। এছাড়া এফসিডিও বাংলাদেশের বিভিন্ন অংশে অত্যাবশ্যকীয় ভ্রমণ ছাড়া অন্য সব জায়গায় ভ্রমণ না করার পরামর্শ দিয়েছে। নোটিশে, পার্বত্য চট্টগ্রামের ৩ জেলায়ও অত্যাবশ্যকীয় ভ্রমণ ব্যতীত অন্য সব ভ্রমণ না করার পরামর্শ দিয়েছে।
ইরান: প্রকৃতির রঙে আঁকা এক অপার স্বর্গভূমি
ইরান: প্রকৃতির রঙে আঁকা এক অপার স্বর্গভূমি
2026-01-28
প্রাকৃতিক বৈচিত্র্যের এক বিস্তৃত সম্ভার ইরান। উচ্চ পর্বতমালা ও বনভূমি থেকে শুরু করে স্বর্ণালি মরুভূমি এবং প্রাণবন্ত জলাভূমি সমৃদ্ধ এই দেশ প্রকৃতিপ্রেমীদের সব সময়ই আকর্ষণ করে। বন্যপ্রাণী পর্যবেক্ষণ থেকে শুরু করে নিরিবিলি পরিবেশে শান্ত অবকাশ, তারাদের নীচে অ্যাডভেঞ্চার সবই মিলবে এই দেশে। পর্বত এবং উচ্চশৃঙ্গ ইরানি প্ল্যাটোরে পর্বতমালাগুলো—বিশেষত জাগরোস এবং আলবোরজ—প্রাকৃতিক দৃশ্যপটের সবচেয়ে চিত্তাকর্ষক বৈশিষ্ট্য। আলবোরজ পর্বতমালা উত্তর ইরানের দিকে প্রসারিত, যা কেন্দ্রীয় প্ল্যাটো এবং কাসপিয়ান সাগরের ধনী ভূমির মধ্যে প্রাকৃতিক সীমারেখা তৈরি করে। এই অঞ্চলের অন্যতম বিখ্যাত শৃঙ্গ হলো মাউন্ট দামাভান, যা ইরানের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ এবং এশিয়ার সর্বোচ্চ আগ্নেয়গিরি, যা ৫,৬১০ মিটার উচ্চ। এটি পূর্ব হেমিস্ফিয়ারের তৃতীয় সর্বোচ্চ আগ্নেয়গিরি, কিলিমাঞ্জারো এবং এলব্রাসের পরে। এই শৃঙ্গ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে পর্বতারোহীদের আকর্ষণ করে এবং তুষারময় চূড়া থেকে মনোমুগ্ধকর দৃশ্য উপহার দেয়। জাগরোস পর্বতমালা দেশের উত্তরপশ্চিম থেকে দক্ষিণপশ্চিম পর্যন্ত বিস্তৃত এবং সমানভাবে চিত্তাকর্ষক। এই দুর্গম পর্বতসমূহে সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র্য, নদী এবং মনোরম উপত্যকা রয়েছে। হাইকিং, পর্বত ট্র্যাকিং এবং প্রকৃতিপথ অন্বেষণের জন্য এটি চমৎকার সুযোগ দেয়। ঠান্ডা পর্বতীয় বাতাস এবং শান্ত পরিবেশ জাগরোসকে প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য আবশ্যক গন্তব্যে পরিণত করেছে।