আর্কাইভ
লগইন
হোম
খাওয়ার সময়ে বিষম লাগলে যা করবেন
খাওয়ার সময়ে বিষম লাগলে যা করবেন
দ্য নিউজ ডেস্ক
May 08, 2025
শেয়ার
সর্বশেষ
জনপ্রিয়
এ সম্পর্কিত আরও খবর
স্বাস্থ্যের জন্য হলুদ পানি: প্রাকৃতিক উপকারে ভরপুর
স্বাস্থ্যের জন্য হলুদ পানি: প্রাকৃতিক উপকারে ভরপুর
13 ঘন্টা আগে
সেই প্রাচীনকাল থেকেই ঘরোয়া চিকিৎসায় হলুদের ব্যবহার রয়েছে। শুধু রান্নায় রং ও স্বাদ বাড়াতেই নয়, দেহকে ভেতর থেকে সুস্থ রাখতে এই মসলা যুগ যুগ ধরে ব্যবহার হয়ে আসছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিশেষ করে হলুদ মেশানো পানি পান করা স্বাস্থ্যসচেতন মানুষের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিয়মিত পরিমিত পরিমাণ হলুদ পানি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে, হজম শক্তি উন্নত করতে, এমনকি রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণেও উপকারী ভূমিকা রাখতে পারে। হলুদ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় হলুদ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ, যা শরীরকে ক্ষতিকর ফ্রি র‌্যাডিকেলের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে সহায়তা করে। নিয়মিত হলুদ মেশানো পানি পান করলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী থাকে, সংক্রমণ প্রতিরোধে দেহ আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে এবং সামগ্রিকভাবে শরীর থাকে বেশি সুস্থ ও সতেজ।
বয়স ৫০-এ পা দেওয়া পুরুষরা প্রস্টেট সুস্থ রাখতে যা খাবেন
বয়স ৫০-এ পা দেওয়া পুরুষরা প্রস্টেট সুস্থ রাখতে যা খাবেন
2025-12-31
অধিকাংশ পুরুষই প্রস্টেটে কোনো সমস্যা দেখা না দেওয়া পর্যন্ত এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গটির দিকে বিশেষ নজর দেন না। অথচ পুরুষদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি যে ক্যানসার দেখা যায়, তার তালিকার শীর্ষেই রয়েছে প্রস্টেট ক্যানসার। বিশ্বজুড়ে প্রায় ৬ শতাংশ পুরুষ জীবনের কোনো না কোনো পর্যায়ে প্রস্টেট ক্যানসারে আক্রান্ত হন। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো- এই রোগটি অনেক সময় নীরবে শরীরে বাসা বাঁধে। তাই ৫০ বছর বয়সে পৌঁছার আগেই প্রস্টেটের স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন হওয়া অত্যন্ত জরুরি। শুধু ক্যান্সার নয়, এই বয়সের পর প্রস্টেটসংক্রান্ত আরও নানা জটিলতা দেখা দিতে পারে। তবে সচেতন জীবনযাপন ও সঠিক খাদ্যাভ্যাস মেনে চললে এসব ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব। প্রস্টেটের সুস্থতায় বিশেষভাবে কার্যকর একটি খাবার হলো কুমড়োর দানা। প্রস্টেট সমস্যার কথা উঠলেই অনেকে কেবল ক্যানসারের দিকেই নজর দেন। অথচ এই ছোট্ট গ্রন্থিটি পুরুষদের প্রজনন স্বাস্থ্য বজায় রাখতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রস্টেট সেমিনাল ফ্লুয়েড তৈরি করতে সাহায্য করে, যা বীর্য গঠনে এবং শুক্রাণুর গুণগতমান বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় ভূমিকা পালন করে। ফলে এই অঙ্গটির যত্নে অবহেলা করলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের শারীরিক জটিলতায় পড়ার আশঙ্কা থাকে।