আর্কাইভ
লগইন
হোম
ডিম
ডায়াবেটিস রোগীরা কি ইফতারে খেজুর খেতে পারবেন?
অনেকেরই প্রিয় অভ্যাস ইফতারের সময় খেজুর দিয়ে রোজা ভাঙা। ধর্মীয় অনুশীলনের পাশাপাশি খেজুর দ্রুত শক্তি জোগায় বলে এটি জনপ্রিয়। তবে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মনে প্রায়ই প্রশ্ন জাগে—খেজুর খেলে কি রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যাবে? খেজুরে গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজসহ প্রাকৃতিক চিনি থাকে, যা শরীরে দ্রুত শক্তি জোগায়। একই সঙ্গে এতে রয়েছে আঁশ, পটাশিয়াম ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। তাই খেজুরের প্রভাব একেবারে নেতিবাচক বা ইতিবাচক—দুটির কোনো একটিতে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি নির্ভর করে খাওয়ার পরিমাণ ও ব্যক্তির শারীরিক অবস্থার ওপর।
2026-02-23
শরীরে প্রোটিনের অভাবে যা ঘটে, তবে সমাধান আছে!
শরীরে প্রোটিনের অভাবে যা ঘটে, তবে সমাধান আছে!
2025-08-26
মানব শরীরের অন্যতম প্রধান উপাদান হলো প্রোটিন। এটি শুধু শরীরে পেশি তৈরি করে না, বরং হাড়, ত্বক, চুল ও মস্তিষ্ককে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর প্রাপ্তবয়স্ক নারীর দিনে অনন্ত ৪৬ গ্রাম এবং পুরুষের ৫৬ গ্রাম প্রোটিন গ্রহণ করা উচিত। আর যদি শরীর নিয়মিত প্রয়োজনীয় পরিমাণ প্রোটিন না পায়, তাহলে ধীরে ধীরে নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি মেটাতে প্রয়োজন হয়—ডাল, ডিম, দুধ, মাছ ও মুরগির মাংস, সয়া ও পনির, বাদামসহ নানা ধরনের শুকনো ফল। প্রোটিনের অভাবে ঘুমের পরও ক্লান্তিভাব অনুভূত হয়। কারণ আপনি যদি অনেক ঘুমিয়েও থাকেন, তবু আপনার শরীর ক্লান্ত অনুভব করে। তাহলে ধরে নিন প্রোটিনের ঘাটতি রয়েছে। কারণ প্রোটিন শরীরে শক্তি তৈরিতে সহায়তা করে— ঘাটতি হলে দেখা দেয় দুর্বলতা ও মানসিক অবসাদ। আর সেই সঙ্গে প্রোটিনের অভাবে চুল পাতলা হয়ে যায়, ত্বক শুষ্ক হয় এবং নখ দুর্বল হয়ে ভেঙে পড়ে।