আর্কাইভ
লগইন
হোম
লিবিয়া
লিবিয়ার বন্দিশালায় নির্যাতনে মাদারীপুরের যুবকের মৃত্যু
উন্নত জীবনের আসায় ইতালিতে পাড়ি জমাতে চেয়েছিলেন মাদারীপুর জেলার ডাসার উপজেলার মো. জহিরুল আকন (২৫)। দীর্ঘ কয়েক মাস লিবিয়ার গেমঘরে দালাল চক্রের অমানবিক নির্যাতনে তিনি মারা গেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিহত জহিরুল আকন ডাসার উপজেলার বালিগ্রাম ইউনিয়নের দক্ষিন ধূয়াসার গ্রামের শামসুল হক আকনের ছেলে। পরিবারের একমাত্র ভরসা জহিরুলের মৃত্যুর খবরে বাকরুদ্ধ তার স্বজনরা। গতকাল মঙ্গলবার (০৭ এপ্রিল) দুপুরে জহিরুলের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে তার পরিবার। পরিবার জানায়, ডাসার উপজেলার তারক দাস ও জাকির মাতুব্বর নামে দুইজন আদম ব্যবসায়ী অল্প টাকার বিনিময়ে লিবিয়া হয়ে সাগর পথে ইতালি লোক পাঠান। এ কথা জেনে তাদের প্রলোভনে সাড়া দিয়ে জহিরুল অবৈধ পথে ইতালি যেতে রাজি হন। তাই জহিরুল প্রথমে ২৫ লাখ টাকা দেন। পরে জহিরুলকে ইতালি নেওয়ার কথা বলে প্রায় পাঁচ মাস আগে লিবিয়া নিয়ে যায় দালালরা।
5 দিন আগে
লি‌বিয়ার ত্রিপোলী থে‌কে দে‌শে ফির‌লেন ১৭৬ বাংলা‌দে‌শি
লি‌বিয়ার ত্রিপোলী থে‌কে দে‌শে ফির‌লেন ১৭৬ বাংলা‌দে‌শি
2025-09-18
লিবিয়ার ত্রিপোলীর তাজুরা ডিটেনশন সেন্টার থেকে ১৭৬ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। আজ বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) তারা দেশে ফেরেন। ত্রিপোলীর বাংলা‌দেশ দূতাবাস জানিয়েছে, লিবিয়ার বাংলাদেশ দূতাবাস বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও আইওএম-এর সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতায় ত্রিপোলীর তাজুরা ডিটেনশন সেন্টার থেকে ১৭৬ জন বাংলাদেশিকে আইওএম-এর সহায়তায় দেশে ফেরত পাঠানো হয়। আইওএম’র সহায়তায় লিবিয়ার বুরাক এয়ারলাইন্সযোগে ১৭৬ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন।
কুষ্টিয়ার সেই ৭ বিয়ে করা রবিজুল গ্রেফতার
কুষ্টিয়ার সেই ৭ বিয়ে করা রবিজুল গ্রেফতার
2025-07-21
অর্থ প্রতারণা ও মানবপাচারের অভিযোগে ৭টি বিয়ে করা আলোচিত রবিজুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছে কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানা পুলিশ। গতকাল রোববার (২০ জুলাই) সকালে কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। রবিজুল ইসলাম (৪২) কুষ্টিয়া সদর উপজেলার পাটিকাবাড়ি গ্রামের আয়নাল মণ্ডলের ছেলে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান জানান, রবিজুল ইসলাম ৭ জন নারীকে বিয়ে করে একসঙ্গে সংসার করতেন। এতে এলাকায় তিনি ব্যাপক আলোচিত ও সমালোচিত হয়ে ওঠেন। তিনি দীর্ঘ ১৫ বছর লিবিয়ায় অবস্থান করছিলেন এবং একটি মানবপাচার চক্রের সক্রিয় সদস্য ছিলেন।