আর্কাইভ
লগইন
হোম
সোশ্যাল মিডিয়া
‘পর্ণ সাইট’-এ নিজের আপত্তিকর ছবি নিয়ে মুখ খুললেন জাহ্নবী কাপুর
প্রায়ই সামাজিকমাধ্যমে তারকাদের আপত্তিকর ছবি কিংবা ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। যা নিয়ে বিড়ম্বনার শেষ নেই। আজ থেকে বেশ কয়েক বছর আগে সেই রকমই এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছিলেন বলিউডের চলতি সময়ের অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর। তখন বয়স মাত্র ১৫ বছর বয়স শ্রীদেবী কন্যার। স্কুলে পড়াকালীন হঠাৎ ‘পর্ণ সাইট’-এ নিজের আপত্তিকর ছবি দেখে তাজ্জব বনে গিয়েছিলেন অভিনেত্রী। এই ঘটনা জাহ্নবীর কিশোরী মনে গভীর প্রভাব ফেলেছিল। সম্প্রতি একটি পডকাস্টে কৈশোরের সেই ভয়ংকর অভিজ্ঞতা নিয়ে মুখ খুললেন জাহ্নবী। সেই মুহূর্তটা কথা বলতে গিয়ে কাপুর কন্যা বলেন, ‘আমি আজও জানি না ওটা আমার ডিপফেক ছিল কি-না। তবে এটুকু নিশ্চিত ঐ রকমই কিছু একটা ছিল। একটা পর্ণসাইটে যখন নিজের ছবি দেখেছিলাম তখন আমি একজন স্কুল ছাত্রী। তাই প্রথমে দেখে যেন পুরো শরীর কেঁপে উঠেছিল।’
4 দিন আগে
সন্ত্রাস ও সহিংসতার আহ্বানসম্বলিত সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট সরাসরি রিপোর্টের আহ্বান
সন্ত্রাস ও সহিংসতার আহ্বানসম্বলিত সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট সরাসরি রিপোর্টের আহ্বান
2025-12-20
সন্ত্রাস ও সহিংসতার আহ্বানসংবলিত সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট সরাসরি হোয়াটসঅ্যাপ ও ই-মেইলের মাধ্যমে রিপোর্ট করার আহ্বান জানিয়েছে জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি (এনসিএসএ)। আজ শনিবার (২০ ডিসেম্বর) থেকে এই ব্যবস্থা কার্যকর হয়েছে। হোয়াটসঅ্যাপ ও ই-মেইলে প্রাপ্ত অভিযোগগুলো এনসিএসএ প্রাথমিক যাচাই-বাছাই শেষে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে রিপোর্ট করবে। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
‘নির্বাচন নিয়ে ভারতের অযাচিত নসিহত অগ্রহণযোগ্য’: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
‘নির্বাচন নিয়ে ভারতের অযাচিত নসিহত অগ্রহণযোগ্য’: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
2025-12-17
আমাদের আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভারত নসিহত করছে মন্তব্য করে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেছেন, ভারতের এই অযাচিত নসিহত অগ্রহণযোগ্য। আমরা একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। এর জন্য প্রতিবেশীদের থেকে কোনো নসিহত গ্রহণের প্রয়োজন নেই। আজ বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) বিকালে সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। তৌহিদ হোসেন বলেন, শেখ হাসিনা ভারতে বসে আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় বক্তব্য দিতেন। এখন তিনি সংবাদমাধ্যমেও বক্তব্য দিচ্ছেন। তার বক্তব্যে যথেষ্ট উসকানি আছে। আদালতের মাধ্যমে দণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে তিনি পাশের দেশে বসে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করবেন-এটাতে তো আমরা আপত্তি জানাবই। আমরা তো তাকে ফেরত চাইবই। কিন্তু ভারত শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠাচ্ছে না। তার বক্তব্য বন্ধ করছে না। উল্টো সর্বশেষ তারা কিছু নসিহত করেছে।