আর্কাইভ
লগইন
হোম
প্রোটিন
মানসিক চাপ কমাতে প্রাকৃতিক সমাধান হলো ‘মধু’
শরীরের জন্যই শুধু নয়, মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও ইতিবাচক প্রভাব ফেলে মধু। মন খারাপ, চাপ বা উদ্বেগের সময় অনেকেই খাওয়া-দাওয়ার দিকে তেমন নজর দেন না। অথচ এই সময় সঠিক খাবার মানসিক অবস্থার ওপর বড় ভূমিকা রাখতে পারে। সাধারণতঃ মেজাজ ভালো রাখতে তাজা মাছ, ফল ও সবজির কথা বলা হয়। তবে গবেষণা বলছে, প্রাকৃতিক একটি মিষ্টি উপাদান-মধু-মন ভালো রাখতে সহায়ক হতে পারে। মধুর ভেতরে থাকা প্রাকৃতিক উপাদান ও পুষ্টিগুণ মস্তিষ্ক ও আবেগের স্বাস্থ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। যুক্তরাষ্ট্রে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মধু প্রাকৃতিক শর্করার উৎস। এতে থাকা গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজ শরীরে ধীরে ধীরে শক্তি জোগায়। রক্তে শর্করা হঠাৎ কমে গেলে কর্টিসল ও অ্যাড্রেনালিনের মতো স্ট্রেস হরমোন নিঃসৃত হয়, যা খিটখিটে মেজাজ, উদ্বেগ, ঘুমের সমস্যা ও মানসিক অস্থিরতার কারণ হতে পারে। পরিমিতভাবে মধু খেলে রক্তে শর্করার ওঠানামা তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকে, ফলে মানসিক চাপ সামলানো সহজ হয়।
5 দিন আগে
দুধ দিয়ে গোসলে শরীরের কি কি উপকার হয়?
দুধ দিয়ে গোসলে শরীরের কি কি উপকার হয়?
2025-10-19
দেশের আলোচিত-সমালোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিরো আলম তার স্ত্রী রিয়া মনিকে ৩ তালাক দিয়েছেন। গতকাল শনিবার (১৮ অক্টোবর) রাজধানীর আফতাবনগরের এম ব্লকে রিয়া মনিকে মৌখিক ৩ তালাক দিয়ে দুধ দিয়ে গোসল করেছেন এই কনটেন্ট ক্রিয়েটর। এই মুহূর্তে হিরো আলম তার দাম্পত্য কলহের কারণে সামাজিক মাধ্যমে বেশ ভাইরাল। তিনি তার তৃতীয় স্ত্রী রিয়া মনিকে মৌখিকভাবে তালাক দিয়ে প্রকাশ্যে দুধ দিয়ে গোসল করেন। দুধ দিয়ে গোসল করে নিজেকে শুদ্ধ করার ঘটনা শুধু দেশেই নয়; বিদেশেও এমন দেখা যায়। প্রশ্ন হচ্ছে— দুধ নিয়ে গোসল আসলে কি হয়? ভারতীয় উপমহাদেশে দুধ দিয়ে গোসলের মাধ্যমে পবিত্র হওয়ার ধারণা প্রাচীনকাল থেকে চলে আসছে। এটিকে শুদ্ধতার প্রতীক হিসেবে সবাই দেখে থাকে। উপমহাদেশ ছাড়াও বিভিন্ন দেশে বা সংস্কৃতিতে দুধ দিয়ে গোসল করার রেওয়াজ ছিল। প্রাচীনকালে রোমানরাও ত্বক কোমল রাখতে নিয়মিত দুধ মিশ্রিত পানিতে গোসল করতেন। মিশরের রানি ক্লিওপেট্রাও দুধ দিয়ে গোসল করে তার অপরূপ সৌন্দর্য ধরে রেখেছিলেন। তবে আসলেই কি এর কোনো উপকার আছে?
যে খাবারগুলো খেলে আপনার রক্তচাপ বেড়ে যাবে
যে খাবারগুলো খেলে আপনার রক্তচাপ বেড়ে যাবে
2025-10-14
হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ এবং স্ট্রোকের জন্য একটি প্রধান ঝুঁকির কারণ। যদিও জেনেটিক্স এবং স্ট্রেস উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে, তবে আমাদের দৈনন্দিন খাদ্য রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ওজন নিয়ন্ত্রণের মতো এক্ষেত্রেও খাদ্যাভ্যাস প্রায় ৭০% দায়ী। আমরা যা খাই তা আমাদের হৃদযন্ত্রে স্বাস্থ্যের ওপর গভীর প্রভাব ফেলে। আশ্চর্যজনকভাবে, আমরা দ্বিতীয়বার চিন্তা না করেই প্রতিদিনের অনেক খাবার গ্রহণ করি যা ধীরে ধীরে রক্তচাপকে নীরবে বাড়িয়ে তুলতে পারে। তবে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করার অর্থ এই নয় যে, সেসব খাবার সম্পূর্ণরূপে বাদ দেওয়া। মূল বিষয় হলো পরিমিতিবোধ। চলুন জেনে নেওয়া যাক, কোন খাবারগুলো আমাদের রক্তচাপ বাড়িয়ে দিতে পারে-
যেসব খাবার খেলে দূর হবে প্রোটিন ও ফাইবারের ঘাটতি
যেসব খাবার খেলে দূর হবে প্রোটিন ও ফাইবারের ঘাটতি
2025-10-12
একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ক্ষেত্রে প্রতি কেজি দেহের ওজনে ১ গ্রাম প্রোটিন খাওয়া উচিত। সেই মোতাবেক ব্যক্তির ওজন যদি ৮০ কেজি হয়, তাহলে ৮০ গ্রাম প্রোটিন খাওয়া উচিত। আবার একজন প্রাপ্তবয়স্কের দিনে অন্তত ৩০-৩৫ গ্রাম ফাইবার খাওয়া উচিত। আমাদের শরীরে প্রতিদিন কি প্রোটিন ও ফাইবার প্রবেশ করছে? হয়তো না। আমাদের শরীর ঠিক রাখতে প্রতিদিনের ডায়েটে প্রোটিনের পেছনে দৌড়াতে হচ্ছে। কিন্তু প্রোটিনের পেছনে দৌড়াতে গিয়ে অনেকেই ফাইবারকে গুরুত্ব দিতে পারেন না। অথচ পেটের সার্বিক স্বাস্থ্য ভালো রাখার পাশাপাশি রক্তে শর্করা, কোলেস্টেরল এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ফাইবার। তবে প্রোটিনের চাহিদা মিটিয়েও ফাইবারের ঘাটতি সম্পন্ন করা যায়। এমন কিছু খাবার রয়েছে, যা একইসঙ্গে প্রোটিন ও ফাইবারের চাহিদা পূরণ করতে পারে। এই যেমন- মসুর ডাল, ছোলা, কালো মোটর, রাজমা, মোটর ডাল প্রোটিন এবং ফাইবারের উৎস। চিয়া, তিসি, সূর্যমুখীর বীজ এবং বাদাম, আখরোট, কাঠবাদামের মধ্যেও প্রোটিন ও ফাইবার থাকে। এই খাবারগুলো কোনো সালাদের সঙ্গে খাওয়া যেতে পারে। আবার স্ন্যাক হিসেবেও এ খাবারগুলো খাওয়া যায়।