আর্কাইভ
লগইন
হোম
৫০ বছরের ‘লজ্জা’-মুক্ত হলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস
৫০ বছরের ‘লজ্জা’-মুক্ত হলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস
দ্য নিউজ ডেস্ক
March 24, 2025
শেয়ার
সর্বশেষ
জনপ্রিয়
এ সম্পর্কিত আরও খবর
ঈদ শেষে শহরমুখী মানুষ, ট্রেনের সিগন্যাল ত্রুটিতে সিডিউল বিপর্যয়
ঈদ শেষে শহরমুখী মানুষ, ট্রেনের সিগন্যাল ত্রুটিতে সিডিউল বিপর্যয়
8 ঘন্টা আগে
ঈদুল ফিতরের টানা ৭ দিনের ছুটির শেষ দিন আজ সোমবার (২৩ মার্চ)। কাল থেকে অফিস শুরু। তাই আজই রাজধানীমুখী মানুষের চাপ বেড়েছে। এর মধ্যেই কমলাপুর রেলস্টেশনে সংকেত (সিগন্যাল) ব্যবস্থার সাময়িক ত্রুটির কারণে ট্রেন চলাচলে সিডিউল বিপর্যয়ের ঘটনা ঘটেছে। এতে সকালে কয়েকটি ট্রেন নির্ধারিত সময়ের তুলনায় দেরিতে ছেড়ে গেছে। কমলাপুর রেলস্টেশন ম্যানেজার সাজেদুল ইসলাম জানান, ভোর ৪টা ৪০ মিনিট থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত স্টেশনের কম্পিউটার বেইজড ইন্টারলকিং (সিবিআই) অপারেটিং সিস্টেম সাময়িকভাবে বিকল ছিল। এর ফলে ভোর রাতে ঢাকায় প্রবেশ করা এবং সকালে ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া প্রায় ১০টি ট্রেন বিলম্বিত হয়। তিনি বলেন, সকাল ৯টার পর থেকে ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া ট্রেনগুলো নির্ধারিত সময়েই ছেড়েছে। এছাড়া দুপুর, বিকেল ও রাতে চলাচলকারী ট্রেনগুলোতেও বিলম্বের আশঙ্কা নেই।
সারাদেশের পেট্রোল পাম্প যেকোনো সময় বন্ধ হতে পারে
সারাদেশের পেট্রোল পাম্প যেকোনো সময় বন্ধ হতে পারে
8 ঘন্টা আগে
নিরাপত্তার স্বার্থে এবং তেল সরবরাহ না পাওয়ার কারণে সারাদেশের পেট্রোল পাম্প (ফিলিং স্টেশন) যে কোনো সময় বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। গতকাল রোববার (২২ মার্চ) রাতে পেট্রোল পাম্প মালিকদের সংগঠন তাদের ফেসবুক পেজে এক বিবৃতিতে এই কথা জানায়। এতে বলা হয়েছে, সারাদেশের পেট্রোল পাম্পগুলোর অবস্থা খুবই করুণ, কারণ তারা অয়েল কোম্পনিগুলো থেকে প্রতিদিন যে তেল পাচ্ছে, তা দিয়ে বর্তমানে ক্রেতাদের চাহিদা পুরণ করা সম্ভব হচ্ছে না। এখন বাস্তবতাটা এমন যে দেশে যে কোটি কোটি মোটরসাইকেল ব্যবহারকারী আছেন, তারা তেল নিতে এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকে ক্লান্ত, বিরক্ত হয়ে পড়ছেন।
কারাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন শিশুসহ ৩৩ বাংলাদেশি
কারাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন শিশুসহ ৩৩ বাংলাদেশি
1 দিন আগে
ভারতে পাচারের শিকার ৩৩ বাংলাদেশি নারী-পুরুষ ও শিশুকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা শেষে দেশে ফেরত আনা হয়েছে। আজ রোববার (২২ মার্চ) সন্ধ্যায় বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে এসব নারী-পুরুষ ও শিশুকে বাংলাদেশে আনা হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, কলকাতার বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন এবং পশ্চিমবঙ্গের নারী-শিশু পাচার রোধ বিষয়ক টাস্কফোর্সের সমন্বিত প্রচেষ্টায় তাদের ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। ফেরত আসারা বিভিন্ন সময় অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে এবং সাজাভোগ শেষে বিভিন্ন সেফ হোমের হেফাজতে ছিলেন তারা। পরবর্তী সময়ে নাগরিকত্ব যাচাইপূর্বক ট্রাভেল পারমিট ইস্যু করে ফিরিয়ে আনা হল।