আর্কাইভ
লগইন
হোম
হত্যা
আবু সাঈদ হত্যা মামলায় রায় যেকোনো দিন হতে পারে
চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় যুক্তিতর্ক শেষ হয়েছে। রায় ঘোষণার জন্য এখন অপেক্ষমান (সিএভি) রাখা হয়েছে। বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন ৩ সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২আজ মঙ্গলবার এই আদেশ দেন। অপর দুই সদস্য হলেন- বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর। আদালতে প্রসিকিউশনের পক্ষে বক্তব্য উপস্থাপন করেন- প্রসিকিউটর মো. মিজানুল ইসলাম। তিনি বলেন, এই মামলার সব আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি। এখন ট্রাইব্যুনাল এই মামলা রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ তালিকায় রেখেছেন। প্রসিকিউশন আশা করছে যে, শীঘ্রই এই মামলার রায় হবে। ৩০ জন আসামির মধ্যে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য মো. হাসিবুর রশীদসহ ২৪ আসামি পলাতক রয়েছেন।
2026-01-27
রাজশাহীর বাগমারায় হাত-পায়ে পেরেক ঢুকিয়ে মধ্যযুগীয় বর্বরতায় হত্যা
রাজশাহীর বাগমারায় হাত-পায়ে পেরেক ঢুকিয়ে মধ্যযুগীয় বর্বরতায় হত্যা
2025-12-23
রাজশাহী জেলার বাগমারা উপজেলায় শতাধিক মানুষের সামনে ওমর ফারুক (৩৮) নামে এক ভ্যানচালককে বর্বর নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করা হয়েছে। চুরির অপবাদে তাকে প্রকাশ্যে উলঙ্গ করে দুই ঘণ্টা ধরে লোহার রড দিয়ে পেটানো হয়। হাত-পায়ে ঢুকিয়ে দেওয়া হয় লোহার পেরেক। পানি চাইলে কয়েক দফায় চুবানো হয় নদীতে। এরপর তার পায়ুপথে ঢুকিয়ে দেওয়া হয় শুকনো মরিচের গুঁড়া। পরে তাকে ‘মাদকের নাটক সাজিয়ে’ ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। গত ১৭ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় উপজেলা সদরের সিএনজি মালিক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে সদস্যরা মধ্যযুগীয় এই পাশবিকতা চালায়। গত শনিবার ভোরে কারা হেফাজতে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত ফারুক ভবানীগঞ্জ পৌরসভার চানপাড়া মহল্লার মসলেম সরদারের ছেলে। এই ঘটনায় তার পরিবার ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তারা এমন নির্মম হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি জানিয়েছেন।
গুম-খুনের মহানায়ক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসান: চিফ প্রসিকিউটর
গুম-খুনের মহানায়ক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসান: চিফ প্রসিকিউটর
2025-12-17
পতিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতাকে দীর্ঘস্থায়ী করতে ভিন্নমত দমনে গুম-খুনের সংস্কৃতি চালু করেছিলেন। তার গুম-খুনের নির্দেশনা বাস্তবায়নের মহানায়ক ছিলেন সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান। আজ বুধবার গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার ঘটনায় জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দাখিলের পর প্রেস ব্রিফিংয়ে এ মন্তব্য করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। চিফ প্রসিকিউটর বলেন, “গুম এবং বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আসামি জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে আলাদাভাবে একটি ফরমাল চার্জ দাখিল করেছি। তার বিরুদ্ধে ৩টি প্রধান অভিযোগ আনা হয়েছে। এই ৩টি ঘটনায় ১০০-এর বেশি মানুষকে গুম করে হত্যা করা হয়। হত্যার পর লাশের পেট ফেড়ে নাড়িভুঁড়ি বের করে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে কখনো বরগুনার বলেশ্বর নদীতে, কখনো সুন্দরবনে, কখনো শীতলক্ষ্যায়, আবার কখনো বুড়িগঙ্গায় ডুবিয়ে দেওয়া হতো।”