আর্কাইভ
লগইন
হোম
বিশ্ববিদ্যালয়
গুচ্ছ ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিচ্ছুকদের জরুরি নির্দেশনা, না মানলে প্রবেশপত্র পাবে না
বর্তমান ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে গুচ্ছভুক্ত (জিএসটি) পদ্ধতিতে ২০টি সাধারণ ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র ডাউনলোড প্রক্রিয়া চলছে। আজ বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত প্রবেশপত্র ডাউনলোড করা যাবে। এই সময়ের মধ্যে ছবি ও সেলফি গৃহীত না হলে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করা যাবে না। ভর্তিবিষয়ক ওয়েবসাইটে ছবি ও সেলফি সংক্রান্ত জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে ছবি ও সেলফি উভয়টি ২৫ ফেব্রুয়ারি তারিখের মধ্যে সঠিকভাবে গৃহিত না হলে প্রবেশপত্র ডাউনলোড তথা ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা যাবে না। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি দুপুর ১২টা থেকে প্রবেশপত্র ডাউনলোড প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এর পূর্বে, গত বছরের ০৭ ডিসেম্বর গুচ্ছের ভর্তিবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। ৩ দফায় মেয়াদ বাড়িয়ে গত ১৬ জানুয়ারি ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে।
5 দিন আগে
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষার ফি কমছে
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষার ফি কমছে
2025-10-30
শিক্ষার্থীদের আর্থিক অসুবিধার কথা বিবেচনা করে অবশেষে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন পরীক্ষার ফি কমানোর প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গতকাল বুধবার (২৯ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত এক জরুরি বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর, রেজিস্ট্রার, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, প্রক্টর এবং অন্যান্য বিভাগীয় প্রধানদের উপস্থিতিতে এই জরুরি মিটিং অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিরাও এই সময় উপস্থিত ছিলেন। জানা গেছে, বর্তমান পরীক্ষার ফি নিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের পক্ষ থেকে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন দাবি ও সমস্যা জানানো হচ্ছিল, সে জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই পদক্ষেপ নিয়েছে। 
ইউরোপে পড়তে এসে ডিগ্রি নিতে পারছেন না অনেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী
ইউরোপে পড়তে এসে ডিগ্রি নিতে পারছেন না অনেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী
2025-10-27
বিকাশ সরকার (ছদ্মনাম) সম্প্রতি জার্মানির একটি শিক্ষার্থী গ্রুপে নিজের সমস্যার সমাধান চেয়ে পোস্ট করেছেন। তিনি লিখেছেন, তিনি জার্মানির একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। সম্প্রতি তিনি পর পর ৩বার একই কোর্সে অকৃতকার্য হয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় তাকে নতুন করে আর পড়ালেখার সুযোগ দেবে না। এমতাবস্থায় সে কি জার্মানিতে থাকতে পারবে ? উত্তরে অনেকে লিখেছেন, পারবেন না কিংবা নতুন করে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে হবে। জার্মানির একাধিক শহরে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে জানা যায়, বেশিরভাগ শহরেই কিছু শিক্ষার্থীদের চিত্র এমনই। এমন শিক্ষার্থীদের সংখ্যা বেশি না হলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কিংবা অভিবাসন কর্তৃপক্ষ যখন বাংলাদেশি অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের এমন তালিকায় দেখেন তখন ভাবমূর্তি নিয়ে সংকটে পড়ে বাংলাদেশি অন্য শিক্ষার্থীরা। নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মান নিয়ে।