আর্কাইভ
লগইন
হোম
স্বয়ংক্রিয়ভাবে
এবার ফুসফুস ক্যানসার শনাক্তে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার
ফুসফুস ক্যানসার শনাক্তে যুক্তরাজ্যে তৈরি একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে থেরাপিউটিক গুডস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন। অস্ট্রেলিয়ার এই নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদনকে চিকিৎসা প্রযুক্তিতে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই এআই প্ল্যাটফর্মটি তৈরি করেছে যুক্তরাজ্যের কোম্পানি অপটেলাম। ভার্চুয়াল নডিউল ক্লিনিক নামের সফটওয়্যারটি ফুসফুসে থাকা নডিউল বা ছোট গাঁট বিশ্লেষণ করে ক্যানসারের ঝুঁকি নির্ধারণ করতে পারে। একইসঙ্গে রোগীর চিকিৎসা অগ্রাধিকার নির্ধারণ এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি পূর্বাভাস দিতেও এটি সহায়তা করে। এই প্রযুক্তি ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন এবং যুক্তরাজ্যে ক্লিনিক্যাল ব্যবহারের অনুমোদন পেয়েছে। অন্যদিকে, স্বাস্থ্য প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মেডটেক গ্লোবাল প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় ব্যবহারের জন্য নতুন একটি এআই সমাধান চালু করেছে। মেডটেক এআই নামের এই প্ল্যাটফর্মটি তাদের ব্যবহৃত প্র্যাকটিস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হয়ে চিকিৎসা নথি তৈরি এবং রোগীর তথ্য বিশ্লেষণে সহায়তা করে।
2026-03-16
শুরু হলো নতুন নিয়ম, ইউরোপ ভ্রমণকারীদের জন্য
শুরু হলো নতুন নিয়ম, ইউরোপ ভ্রমণকারীদের জন্য
2025-10-12
ইউরোপের অভ্যন্তরীণ সুরক্ষা জোরদার,অবৈধ অভিবাসন এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ‘এন্ট্রি/এক্সিট সিস্টেম’ (ইইএস) চালু করেছে। আঞ্চলিক নিরাপত্তা, পর্যটন ব্যবস্থাপনা এবং অভিবাসন নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের দুর্বলতা কাটাতে পর্তুগালসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশ আজ রোববার (১২ অক্টোবর) ২০২৫ থেকে এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চালু করছে সীমান্তে। এর মাধ্যমে সকল তৃতীয় দেশের নাগরিক—অর্থাৎ ইউরোপীয় দেশের বাইরের যারা ভিসা নিয়ে বা ভিসা ছাড়াই বা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য পর্যটন, ব্যবসা অথবা পরিবারিক উদ্দেশ্যে আসেন, তাঁরা প্রবেশ ও বহির্গমণের মুহূর্তে সরাসরি বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধিত হবেন। তাদের আঙ্গুলের ছাপ ও মুখাবয়বের ছবি সীমান্তে সংরক্ষিত হবে, পাশাপাশি প্রবেশ/বের হওয়ার স্থান, সময় ও তারিখ ডিজিটালি রেকর্ড হবে। পূর্বে পাসপোর্ট এর হাতে মোহর দেওয়ার পদ্ধতির বদলে, এই সিস্টেমে নাগরিকের অবস্থান, ভ্রমণসহ আইনসম্মত থাকার সময়সীমা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ট্র্যাক করা যাবে। এতে অবৈধভাবে দীর্ঘকাল অবস্থান বা জাল পরিচয় দানের ঘটনা দ্রুত শনাক্ত হবে, কর্তৃপক্ষ সহজেই ব্যবস্থা নিতে সক্ষম হবেন। তথ্যগুলো বিভিন্ন দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী রিয়েল টাইম হিসেবে ব্যবহার করতে পারবে।