আর্কাইভ
লগইন
হোম
বিলিয়ন
দেশের রিজার্ভ ৩ বছর পর ৩৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়ালো
গত তিন বছরের বেশি সময় পর দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। অর্থবছর ২০২১–২২ এর পর এই প্রথম রিজার্ভ এই মাত্রায় পৌঁছাল। এতে করে দেশের আমদানি ব্যয় পরিশোধের সক্ষমতা আগের চেয়ে বেড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক গতকাল এই তথ্য জানিয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফের পদ্ধতিতে হিসাব করা ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত দাঁড়িয়েছে ২৮.৫১ বিলিয়ন ডলার। এক সপ্তাহ আগের তুলনায় এই অঙ্ক বেড়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এই রিজার্ভ দিয়ে বাংলাদেশ এখন ৫ মাসেরও বেশি সময়ের আমদানি ব্যয় মেটাতে পারবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, বর্তমানে দেশের মাসিক আমদানি ব্যয় ৫.৫০ বিলিয়ন ডলারের বেশি। সেই হিসাবে বর্তমান রিজার্ভ দেশের বৈদেশিক লেনদেনের জন্য কিছুটা স্বস্তির বার্তা দিচ্ছে।
2026-01-01
রিজার্ভ ৩০ বিলিয়ন ডলার ছাড়ালো
রিজার্ভ ৩০ বিলিয়ন ডলার ছাড়ালো
2025-08-07
গত এক বছরের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের সবচেয়ে ভালো খবরটি এলো। সর্বশেষ মোট রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩০.০৭ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৭ কোটি ৭৬ লাখ ৫০ হাজার ডলার। আর নিট রিজার্ভ বা আইএমএফের হিসাবায়ন পদ্ধতি অনুসারে রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৫.০৫ বিলিয়ন বা ২ হাজার ৫০৫ কোটি ৭৮ লাখ ৭০ হাজার ডলার। গতকাল বুধবার (০৬ আগস্ট) এসব তথ্য প্রকাশ করে বাংলাদেশ ব্যাংক। মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি দায় বাদ দিয়ে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ পাওয়া যায়। তবে এর বাইরে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের আরেকটি হিসাব রয়েছে, তা হ‌লো ব্যয়যোগ্য রিজার্ভ। এই তথ্য আনুষ্ঠানিক প্রকাশ ক‌রে না কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সেখানে আইএমএফের এসডিআর খাতে থাকা ডলার, ব্যাংকগুলোর বৈদেশিক মুদ্রা ক্লিয়ারিং হিসাবে থাকা বৈদেশিক মুদ্রা এবং আকুর বিল বাদ দিয়ে ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভের হিসাব করা হয়। বর্তমান ব্যয়যোগ্য রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২০ বিলিয়ন ডলারে।