আর্কাইভ
লগইন
হোম
ফিলিস্তিন
ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড পশ্চিম তীরে দখলদারিত্ব নিয়ে ইসরাইলকে ৮৫ রাষ্ট্রের নিন্দা
ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড পশ্চিম তীরে ইসরাইলের দখলদারিত্ব সম্প্রসারণ এবং ভূমি দখলের পরিকল্পনার বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে জাতিসংঘভুক্ত ৮৫টি সদস্য রাষ্ট্র। গতকাল মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতিসংঘে নিযুক্ত ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রদূত রিয়াদ মনসুর এই রাষ্ট্রসমূহ এবং বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংস্থার পক্ষে একটি যৌথ বিবৃতি দেন। বিবৃতিতে ইসরাইলের একতরফা সিদ্ধান্তকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন হিসেবে আখ্যা দিয়ে অবিলম্বে তা বাতিলের দাবি জানানো হয়েছে।
3 দিন আগে
বৃষ্টির পানিতে প্লাবিত বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের তাঁবু, শীতে সীমাহীন দুর্ভোগ
বৃষ্টির পানিতে প্লাবিত বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের তাঁবু, শীতে সীমাহীন দুর্ভোগ
2025-12-28
ফিলিস্তিনের গাজায় লাখো বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি এখন তাঁবু ও ধ্বংসস্তূপের মাঝে শীত, বৃষ্টি আর প্রবল ঠান্ডার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। দুই বছর ধরে ইসরাইলি বোমাবর্ষণে উপত্যকার বড় অংশ ধ্বংস হয়ে যাওয়ার পর আবারও শীতকালীন বৃষ্টিতে তাদের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। এর মধ্যেই গতকাল শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) গাজা উপত্যকার ওপর দিয়ে তীব্র নিম্নচাপ বয়ে যায়, সঙ্গে ছিল ভারি বর্ষণ ও দমকা হাওয়া। চলতি শীতে এটি গাজায় তৃতীয় তীব্র নিম্নচাপ, আর আগামী সোমবার থেকে উপত্যকাটিতে চতুর্থ দফা নিম্নচাপ আসার আশঙ্কা রয়েছে। আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অনেক পরিবার ২০২৩ সালের শেষ দিক থেকে তাঁবুতেই বাস করছে। মূলতঃ গাজায় ইসরাইলের দীর্ঘ আগ্রাসনের প্রায় পুরোটা সময়ই তারা এভাবে কাটিয়েছে। অঞ্চলটিতে সামনে আরও তীব্র ঠান্ডা, বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার শঙ্কা রয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ সতর্ক করেছে, বৃষ্টি বাড়লে তা পূর্ণ মাত্রার ঝড়েও রূপ নিতে পারে। গাজা সিটির বাস্তুচ্যুত বাসিন্দা মোহাম্মদ মাসলাহ আলজাজিরাকে বলেন, থাকার মতো অন্য কোথাও তিনি জায়গা পাননি। তার ভাষায়, ‘গাজায় থাকার মতো জায়গা খুঁজে পাইনি, শুধু গাজা পোর্টেই থাকতে পারছি। আমার ঘর এখন ইসরাইলের নিয়ন্ত্রণে। কয়েক ঘণ্টা বৃষ্টি হলেই আমরা পুরো ভিজে যাই।’
ইসরাইলের অবরোধ অব্যাহত: গাজায় ওষুধের অভাবে রোগীরা মৃত্যুর মুখে
ইসরাইলের অবরোধ অব্যাহত: গাজায় ওষুধের অভাবে রোগীরা মৃত্যুর মুখে
2025-12-24
দখলদার ইসরাইলের অব্যাহত অবরোধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম প্রবেশে বাধার কারণে ফিলিস্তিনের গাজা ভূখণ্ডের স্বাস্থ্যব্যবস্থা চরম সংকটে পড়েছে। ওষুধ ও চিকিৎসা সহায়তার অভাবে হাজারও রোগী মৃত্যুর মুখে, আর হাসপাতালগুলো কার্যত অচল হয়ে পড়ছে বলে সতর্ক করেছেন গাজার শীর্ষ স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, ইসরাইলের অব্যাহত অবরোধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম প্রবেশে বাধার কারণে গাজার স্বাস্থ্যব্যবস্থা নজিরবিহীন বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। এতে হাজারও রোগী মৃত্যুঝুঁকি বা স্থায়ী পঙ্গুত্বের আশঙ্কায় রয়েছেন বলে সতর্ক করেছেন গাজার এক শীর্ষ স্বাস্থ্য কর্মকর্তা। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক মুনির আল-বারশ মঙ্গলবার আল জাজিরাকে বলেন, গাজার হাসপাতালগুলোর পরিস্থিতি এখন ‘করুণ ও ভয়াবহ’। ইসরাইল প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সামগ্রীর প্রবেশ অব্যাহতভাবে আটকে রাখায় গুরুতর রোগীদের চিকিৎসা দিতে পারছেন না চিকিৎসকেরা।